বাকযুদ্ধে জড়ালেন আসানসোল দক্ষিণ বিধান সভার দুই তারকা প্রার্থী, এক অপরকে আক্রমন ও কটাক্ষ






বেঙ্গল মিরর, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত, আসানসোল, ৪ এপ্রিলঃ এপ্রিলের শুরুতেই তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে। আর তার মধ্যে এপ্রিল মাসের প্রথম রবিবার রবিবাসরীয় প্রচারে বাকযুদ্ধে জড়ালেন আসানসোল দক্ষিণ বিধান সভার দুই তারকা প্রার্থী তৃনমুল কংগ্রেসের সায়নী ঘোষ ও বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল। একে অপরকে আক্রমনও করেছেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কও।








বিজেপি প্রার্থী দিন কয়েক আগে সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন জিতে বিধায়ক তিনি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভায় একটি করে আইন কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজ করবেন। রবিবার দুপুরে প্রচারের মাঝে আসানসোলে জিটি রোডে দলের জেলা কার্যালয়ে আসেন সায়নী ঘোষ। সেখানে বিরোধী দলের প্রার্থীর ভাবনাকে কটাক্ষ করে বলেন, উনি তো নিজেকে আসানসোলের ” ভূমিকন্যা ” বলে জাহির করে প্রচার করছেন। তাহলে এতদিন তিনি তা করেননি কেন? ওনার দল কি করছে, তা সবাই দেখছে।

সায়নী ঘোষের এই কটাক্ষের তীব্র বিরোধিতা করে তাকে পাল্টা আক্রমণ করেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, তৃনমুল কংগ্রেসের প্রার্থী তো মাস কয়েক হলো রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি এখনো অনেক কিছু জানেন না। তার জানা উচিত দলের একজন সাধারণ কার্যকর্তা কি করতে পারেন? যদিও সেটা তা জানার কথা নয়। আর এই বাংলায় তো গনতান্ত্রিক ভাবে জিতে আসা এমপি, এমএলএরা কাজ করতে পারেন না। তাদের কাজ আটকে দেওয়া হয়।
তার সায়নী ঘোষকে কটাক্ষ, উনি তো সিনেমা করতেন। ২ মের পর মনে হয় উনি ” কন্ডোম” বিক্রির দোকান খুলে বসবেন।
অগ্নিমিত্রা পালের এই বক্তব্যে পাল্টা দিয়েছেন সায়নী ঘোষ। তিনি বলেন, উনি আমাকে প্রচারের শুরু থেকে ” বাচ্চা মেয়ে , বাচ্চা মেয়ে ” বলে আসছেন। গুরুত্ব দিইনি। তাকে আমি সপেসটিকেটেড ও আলাদা মানুষ বলে জানতাম। কিন্তু বুঝলাম তা নয়। উনার ভাষাই বলে দেয়, তার পরিচয় ও বংশ পরিচয়। আমি তো অতটা নিচে নামতে পারবো না। তাতে আমার রুচিতে বাঁধে।

