বরাকরের ঘটনার তদন্ত, পুলিশ লকআপে মৃত্যু হওয়া যুবকের বাড়িতে সিআইডির আধিকারিক

বেঙ্গল মিরর, কাজল মিত্র ও রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল, ৩১ জুলাইঃ আসানসোলের কুলটি থানার বরাকর ফাঁড়ির পুলিশ লকআপে যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত বার হাতে নিয়েছে রাজ্য পুলিশের সিআইডি। মৃত যুবক আরমান আনসারির পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের মারধরের কারণে আরমান আনসারির মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার তদন্ত করতে মৃত আরমানের বাড়িতে শনিবার আসেন দুর্গাপুরের সিআইডি অফিসার অরূপ কুমার সেনগুপ্ত । অরূপ বাবু মৃত আরমানের বাড়ি গেলেও সেখানে তার বাবার সাথে দেখা হয়নি। তার মায়ের কাছে একটি ছবি নিয়ে এরপর তিনি আশেপাশের প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্ৰহ করেন। সেখান থেকে তদন্তকারী দল কুলটি থানায় গিয়ে মৃত আরমানের হেফাজতে থাকাকালীন রেজিস্ট্রার পরীক্ষা করেন। সূত্রের খবর, সেখানে দেখা গেছে ৩ জুলাই রাতে বিসিসিএল কোয়ার্টারে চুরির ঘটনায় আরমান আনসারি ও অন্য তিনজনকে পুলিশ আটক করে এনেছিলো। তাদের জেরা করার সময় পুলিশের মারধরের কারণে আরমান মারা যায় বলে অভিযোগ ।


এই ঘটনার পরে বরাকর ফাঁড়ির ইনচার্জ অমরনাথ দাস সহ ৫ অফিসারকে সাসপেন্ড ও ৫ জন সিভিক ভলেন্টিয়ারকে বরখাস্ত করা হয়। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এর তদন্তে ভার সরকারের তরফে রাজ্য পুলিশের সিআইডি দেওয়া হয়।
এর আগেও সিআইডির একটি দল গত ২৩ জুলাই বরাকর ফাঁড়িতে এসেছিলো। সেই সময় ফাইল পরীক্ষা করে বরাকর ফাঁড়ির ইনচার্জ হেমন্ত দত্তের সঙ্গে সেই দল আরমানের বাড়িতে গেছিলো।
কিন্তু আরমানের পরিবারের তরফে বলা হচ্ছে এখনও পর্যন্ত তদন্ত চলছে। কোন সঠিক বিচার পাওয়া যাচ্ছেনা। পরিবারের লোকজনেরা এখনো পর্যন্ত আরমানের এই মৃত্যুর ঘটনা ভুলতে পারেনি। তারা চায় সরকার যেন সঠিক বিচার করে। আর যারা এই মৃত্যু জন্য দায়ী, তারা যেন শাস্তি পায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *