Bengal Mirror

Think Positive

Bengal Mirror
Bengal Mirror
West Bengal

বিজেপি নেতাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার জন্য পুলিশ আধিকারিক এবং বিচারকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য নদিয়ার বিজেপি নেতা অনুপকে গ্রেপ্তার করা হয়

বেঙ্গল মিরর, কলকাতা, সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত:
নদীয়া জেলার বিজেপি নেতা অনুপ কুমার মন্ডলকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার জন্য হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনের শুনানির সময়, হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মন্থা এফআইআর স্থগিত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তকারী আধিকারিক এবং আদালতের সিজেএমের বিরুদ্ধেও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আবেদনকারীর পক্ষে কল্যাণ কুমার চক্রবর্তী, কাশীনাথ ভট্টাচার্য এবং বিবেক কুমার পান্ডে উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির পর বিচারপতি রাজশেখর মান্থা নির্দেশ দেন যে আবেদনকারীর মোবাইল ফোন তাকে ফেরত দিতে হবে। নাকাশিপাড়া থানার ইন্সপেক্টর-ইন-চার্জের নির্দেশে এসিজেএম, কৃষ্ণনগর নদীয়ার পক্ষ থেকে আবেদনকারীর গ্রেপ্তার এবং বিচার বিভাগীয় হেফাজতের বিষয়ে কোনও বৈধ ব্যাখ্যা নেই। উদাহরণস্বরূপ ওই নির্দেশে বলা হয় অর্ণেশ কুমার বনাম বিহার রাজ্যের মামলায় (২০১৪) ৮ এস সি সি ২৭৩ এ বর্ণিত
মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করা হয়েছে এইক্ষেত্রে। জামিনযোগ্য অপরাধে আবেদনকারীকে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সমস্ত নিয়ম পালন করা হয়েছিল কিনা? জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনই তো ছিল কিনা? যদি ছিলে তাহলে নদীয়ার এসপি তদন্ত করবেন এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

নদীয়ার ডিস্ট্রিক্ট জজ তদন্ত করবেন কি পরিস্থিতিতে সিজেএম কৃষ্ণনগর এফআইআরের বিষয়ে আবেদনকারীকে হেফাজতে রেখেছিলেন এবং তদন্ত শুরুর বিবেচনার জন্য এই আদালতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন। উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। ২০২২ সালের এফআইআর নং ২৫৯ এর পরবর্তী কার্যক্রম স্থায়ীভাবে স্থগিত করা হোক।

এ বিষয়ে আবেদনকারী অনুপ কুমার মণ্ডল বলেন, ২০২২ সালের ৯ এপ্রিল মগরাহাটে একটি খুনের ঘটনা ঘটে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন তিনি। পোস্ট করার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ তাকে থানায় ডেকে আনে। সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে তাকে বলা হয় তাকে গ্রেফতার করা হবে।উপর থেকে নির্দেশ এসেছে। তিনি সরকারি কর্মচারী বলে আধিকারিকদের জানান। গ্রেপ্তারের আগে তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে হবে। তার মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয় এবং পোস্টটি মুছে ফেলা হয়। এরপর তাকে গ্রেফতার করে পরদিন আদালতে হাজির করা হলে সেখান থেকে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। যদিও পরে তিনি জামিন পান। তিনি বলেন যে তিনি বিজেপির সাথে যুক্ত, তাই প্রতিশোধের অনুভূতি নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে। এরপর তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।



Social Share or Summarize with AI

News Editor

Mr. Chandan | Senior News Editor Profile Mr. Chandan is a highly respected and seasoned Senior News Editor who brings over two decades (20+ years) of distinguished experience in the print media industry to the Bengal Mirror team. His extensive expertise is instrumental in upholding our commitment to quality, accuracy, and the #ThinkPositive journalistic standard.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *