রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই সক্রিয় সেল আইএসপি কতৃপক্ষ, বার্নপুরে ১০ দিনের অবৈধ নির্মাণ সরাতে নোটিশ
বেঙ্গল মিরর, বার্নপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* স্টিল অথরিটি অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড বা সেল আইএসপি বা ইস্কো কারখানা কর্তৃপক্ষ বার্নপুর এলাকায় অবৈধ দখলদার বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। রাজ্যে সরকারের ক্ষমতার পরিবর্তনের পর আইএসপি কতৃপক্ষ অবৈধ দখলদার উচ্ছেদে সক্রিয় হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে । ৮ মে শুক্রবার আইএসপি কতৃপক্ষ এই মর্মে একটি নোটিশ জারি করেছল।














জানা গেছে, বার্নপুর স্টেশন রোড, বারি ময়দান, বার্নপুর বাস স্ট্যান্ড এবং নরসিংবাঁধ এলাকায় বেশ কয়েকটি দলীয় কার্যালয়, অফিস এবং দোকানে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে যে, স্টেশন রোডে আসানসোল পুরনিগমের ৭৮ নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলার অশোক রুদ্র, তৃণমূল কংগ্রেসের আসানসোল দক্ষিণ ( টাউন) সভাপতি পূর্ণেন্দু চৌধুরী ওরফে টিপু দলীয় কার্যালয়, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা উৎপল সেন তথা দলের শ্রমিক সংগঠন বা ট্রেড ইউনিয়ন অফিস, নরসিংবাঁধ এলাকায় আসানসোল পুরনিগমের ওয়ার্ড নং ৭৭-এ কাউন্সিলর গুরমিত সিংয়ের অফিস ও দলীয় কার্যালয় রয়েছে।
এছাড়াও বারি ময়দান ও বার্নপুর বাস স্ট্যান্ডের আশেপাশে থাকা বেশ কয়েকটি অফিস ও দোকানকে ১০ দিনের মধ্যে তাদের জায়গা খালি করতে বলা হয়েছে। নরসিংবাঁধ এলাকায় থাকা একটি অফিসেও এই নোটিশ জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সেল আইএসপি বা ইস্কো স্টিল প্ল্যান্টের ডিজিএম (এস্টেট) শুভম প্যাটেল হিরাপুর থানায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেল আইএসপি কতৃপক্ষের তরফে পুলিশকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সেল আইএসপি-র জমিতে অবৈধভাবে নির্মাণকাজ করা হয়েছে। সেগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে।
সেল আইএসপি কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, নোটিশ দেওয়া সবাইকে অবশ্যই ১০ দিনের মধ্যে জমিটি খালি করে দিতে হবে। তা না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে। এই পদক্ষেপের খবর বার্নপুর ও তার আশেপাশের এলাকার রাজনৈতিক ও ট্রেড ইউনিয়ন মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই প্রসঙ্গে, কাউন্সিলার অশোক রুদ্র বলেন, বৃহস্পতিবারই নোটিশ পেয়েছি। দলীয় নেতৃত্বর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে, সেল আইএসপি কতৃপক্ষ জানায়, কোম্পানির জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। তা সরিয়ে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তা, না হলে, সেই নির্মাণ ভাঙা ও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

