রসুলপুর জঙ্গল ও বিভিন্ন জায়গায় প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন চোরাই কয়লা উদ্ধার
বেঙ্গল মিরর, দেব ভট্টাচার্য,আসানসোল। খোদ ইসিএলের দুই জেনারেল ম্যানেজার এবং তিন নিরাপত্তা অধিকারিকের বিরুদ্ধে যখন সিবিআই কয়লা চুরি ,কয়লা পাচারের অভিযোগ করে তদন্তে নেমেছে ,সেই সময় গত দুমাস ধরে ইসিএলের সালানপুর এরিয়ার অন্তর্গত বারাবনির রসুলপুর জঙ্গল ও পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন চোরাই কয়লা উদ্ধার করল যৌথভাবে ইসিএলের নিরাপত্তা রক্ষী সিআইএসএফ এবং পুলিশ।














ইসিএল সূত্রে জানা যায় বারাবনি থানার জামগ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত রসুলপুর জঙ্গলে কয়লা চোরেদের একটি বড় চক্র আছে। সেখানে বিভিন্ন খনি থেকে তারা কয়লা তুলে এনে ডিপো করেছেন জঙ্গলের মধ্যে । সেই ডিপো থেকেই কয়লা চলে যাচ্ছে অজয় নদী পেরিয়ে ঝাড়খন্ড হয়ে সম্ভবত উত্তরবঙ্গের মালদা সহ নানা জায়গায়। দিন তিনেক আগে রসুলপুরে এমন প্রচুর পরিমান কয়লা চুরির খবর পেয়ে ইসিএলের নিরাপত্তারক্ষীরা সিআইএসএফ এবং পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছায় এবং তিনদিন ধরে সমস্ত কয়লা তোলা হয়। এর পরিমাণ ৫৭০.১৮ মেট্রিক টন বলে জানান সালানপুর এরিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক অশোক দাস ।
তিনি বলেন এর সঙ্গে যুক্ত বারাবনি থানার রসুনপুরের একজন ও দোমহনীর একজনের বিরুদ্ধে বারাবনি থানায় অভিযোগ জানান হয়েছে।আর ওই উদ্ধার হওয়া কয়লা গৌরান্ডির বেগুনিয়া কলিয়ারিতে জিম্মানামা দিয়ে পাঠান হয়েছে।অশোক বাবু জানান গত ৪থা আগস্ট রসূনপুর জঙ্গল থেকেই ২৭৫ টন কয়লা,একটা জেনারেটর,একটা বৈদ্যুতিক ওজন যন্ত্র তারা উদ্ধার করে থানায় ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান।এর কয়েকদিন আগে ২৮ সে জুলাই ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ৭৭০ মেট্রিকটন কয়লা পুলিশ ও সি আই এস এফ কে সঙ্গে নিয়ে তারা উদ্ধার করেন। ১৬ সেপ্টেম্বর জামগ্রামের বিন্দুড়ি এলাকা থেকে ১৪৮ মেট্রিক টন কয়লা তারা উদ্ধার করেছিলেন। এছাড়াও আরো কিছু কয়লা উদ্ধার হয়েছে।
সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে ঐ সব কয়লা অজয় নদী পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডের নলা ,কুণ্ডহীত,দুমকা ,রামপুরহাট হয়ে মালদা বা উত্তর বঙ্গে যাচ্ছে।সি বি আই ই সি এল আধিকারিকদের নামে অভিযোগ বা তদন্তের পরেও ই সি এল থেকে কয়লা চুরি যে কমেনি গত দুই মাসে বারাবনি থেকে উদ্ধার হওয়া কয়লা তা প্রমান করেছে।

