দূর্নীতি নিয়ে শাসক দলকে আক্রমন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হুঁশিয়ারী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের
নবান্ন চলো” র প্রচারে আসানসোলে বিজেপির মহামিছিল
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ দূর্নীতি ও চুরি করা নিয়ে আক্রমন করার পাশাপাশি পঞ্চায়েত ভোট প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসক দল তৃনমুল কংগ্রেসকে আক্রমন করলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।
শুক্রবার বিকেলে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির ডাকে ” নবান্ন চলো ” কে সামনে আসানসোল শহরে একটি মহামিছিল হয়। আসানসোল সাংগঠনিক জেলার ডাকে এই মহামিছিল করা হয়েছিলো। বেলা তিনটে থেকে আসানসোলের জিটি রোডের বিএনআর মোড় থেকে এই মিছিল শুরু হওয়া কথা ছিলো। কিন্তু একঘন্টারও বেশি সময় পরে তা শুরু হয়। লকেট ছাড়াও মিছিলে ছিলেন জেলা সভাপতি দিলীপ দে, দুই বিধায়ক ডাঃ অজয় পোদ্দার ও লক্ষ্মণ ঘোড়ুই, কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, নির্মল কর্মকার সহ জেলা নেতৃত্ব। সেই মিছিল জিটি রোড হয়ে আসানসোল পুরনিগমের সামনে এসে শেষ হয়।














মিছিল শুরুর আগে সাংবাদিকদের সাংসদ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে চোরেদের নেতা বানিয়েছেন, তা তার বৃহস্পতিবারের অনুব্রত মন্ডলের কথা বলাতেই বোঝা যায়। তিনি চোরেদের নেতা বানিয়েছেন, আর দলের কর্মীদের বোকা বানিয়েছেন। তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা ও মন্ত্রীরা সাধারণ মানুষের টাকা লুঠ করেছেন। তাদের বাড়িতে ইডি সিবিআই যাবে না কোথায় যাবে। এই তো সবে শুরু। আরো কত বেরোবে দেখবেন। এই দলটার সবাই চোর।
পরে মিছিল শেষে আসানসোল পুরনিগমের সামনে এক পথসভায় বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায় আক্রমন করে বলেন, সততার প্রতীক এখন চোরেদের প্রতীক হয়েছেন। সবকিছু দেখে শুনে মনে হচ্ছে তৃনমুল কংগ্রেসের নেতা ও মন্ত্রীরা একমাত্র গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগর বাদ দিয়ে সবই কিনে নিয়েছে। বাংলার মানুষেরা এখন দেখছেন, তারা কাদেরকে ভোট দিয়েছেন। তিনি, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, গত পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেওয়া হয়নি৷ এবার আমরা তৃনমুল কংগ্রেসের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা দিতে দেবোনা। আমরা এবার ঠিক করবো, কারা মনোনয়ন পত্র জমা দেবে।

