ADPC : বাড়িতে একা থাকা বৃদ্ধা খুন, ধৃত দুই অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনার ” পুনর্নির্মাণ ” পুলিশের
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ মুল ২ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আসানসোল শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকা সূর্য সেন পার্কে বাড়িতে একা থাকা এক বৃদ্ধা খুনের ঘটনার কিনারা করলো আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ধৃত বিশাল বাউরি ও সুরজ হাজরাকে বৃদ্ধার বাড়ি ও এলাকায় নিয়ে গিয়ে খুনের ঘটনার ” রিকনস্ট্রাকশন বা পুনর্নির্মাণ ” করলো পুলিশ। প্রায় এক ঘন্টা ধরে ধৃত দুজন কি ভাবে বৃদ্ধা আলপনা রায়ের বাড়িতে ঢুকেছিলো ও বাড়িতে টাকা ও খুন করার পরে তারা এলাকা ছাড়ে তা পুলিশ আধিকারিকদের দেখায় ও বলে। উপস্থিত ছিলেন আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশের এসিপি (সেন্ট্রাল) দেবরাজ দাস, আসানসোল দক্ষিণ থানার ইন্সপেক্টর ইনচার্জ কৌশিক কুন্ডু ও আসানসোল দক্ষিণ থানা (পিপি) র ওসি তথা এই মামলার তদন্তকারী অফিসার বা আইও সঞ্জীব দে সহ অন্য পুলিশ অফিসাররা। যাতে কোন সমস্যা না হয়, তারজন্য বৃদ্ধার বাড়ির আশপাশের এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা। এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিবেশীদের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মতো। পুলিশের তরফে ” রিকনস্ট্রাকশন বা পুনর্নির্মাণ” র গোটা প্রক্রিয়াটি ক্যামেরা বন্দী করা হয়েছে।














এই খুনের ঘটনার প্রায় ২ মাস পরে গত ২৭ জুলাই অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে প্রথম গ্রেফতার করা হয়েছিলো ঐ এলাকারই বাসিন্দা বিশাল বাউরিকে। সে জেরায় এই ঘটনায় তার দুই সঙ্গী হিসাবে সুরজ হাজরা ও জগ্গুর নাম বলেছিলো। এর মধ্যে সুরজ প্লাম্বারের কাজ করে বলে পুলিশ জানতে পারে। বাকি দুজন কোন কাজ করেনা। কিন্তু পরে তদন্তে নেমে পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জগ্গুর কোন যোগ সূত্র পায়নি। বিশালকে ধরার ঠিক দুদিন পরে সুরজকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আপাততঃ ২ জনই তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজত রয়েছে। পুলিশ হেফাজত শেষে আগামী ১০ আগষ্ট তাদেরকে আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হবে।
প্রসঙ্গতঃ, গত ২২ মে সোমবার রাতে এই খুনের ঘটনাটি ঘটেছিলো আসানসোল দক্ষিণ থানার জিটি রোড লাগোয়া সূর্য সেন পার্কে। পরের দিন ২৩ মে মঙ্গলবার সকালে বাড়ির ভেতর থেকে বৃদ্ধার নাম আলপনা রায় (৬৭) নামে ঐ বৃদ্ধার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করেছিলো পুলিশ।

