দুর্গাপুরে বিজেপি নেতা কাছে গিয়ে পুলিশের জালে তৃণমূল ব্লক সভাপতি
বেঙ্গল মিরর, দুর্গাপুর, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বিজেপি নেতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে পুলিশের জালে দুর্গাপুর নগর নিগমের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলার রাজীব ঘোষ। তিনি একইসাথে, দলের ব্লক সভাপতির পদে ছিলেন। ইস্পাত নগরী দুর্গাপুরের তানসেন এলাকায় বুধবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার সকালে ধৃত তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করার সময় বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা তার উদ্দেশ্যে ” চোর চোর ” স্লোগান দিতে থাকেন। যাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ।জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ গোপনে দুর্গাপুরের তানসেন মার্কেটে বিজেপির কনভেনার সন্তোষ মুখোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করতে যান তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজীব ঘোষ।













সন্তোষবাবু সেই কথা এলাকার বিজেপির নেতা ও কর্মীদেরকে বলেন। তা শুনে সেখানে বিজেপির নেতা ও কর্মীরা সেখানে আসেন। রাজীব ঘোষকে ঘিরে ধরেন বিজেপি কর্মীরা। তারা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। খবর পেয়ে পরে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপির দুই নেতা দিব্যেন্দু রায় ও স্বর্ণেন্দু হালদারের অভিযোগ, রাজীব ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাস, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিরোধী কর্মীদের হুমকি এবং টাকা তোলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বহু বিজেপি সমর্থক আক্রান্ত ও ঘরছাড়া হন এবং সেই ঘটনাগুলিতে রাজীব ঘোষে নাম উঠে এসেছে।
বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পরিস্থিতির পরিবর্তন বুঝে রাজীব ঘোষ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। তবে বিজেপি স্পষ্ট জানিয়েছে, তাঁকে দলে নেওয়ার প্রশ্নই নেই।পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানায়, রাজীব ঘোষকে গ্রেফতার করে এদিন সকালে আদালতে পেশ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


