নির্বাচনের ৫ দিন আগে এজেইউপিতে বড় ধাক্কা কুলটির প্রার্থী সহ ৫০ জনের তৃণমূলে যোগ পতাকা তুলে দিলেন মলয় ঘটক
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ* প্রথম দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক ৫ দিন আগে হুমায়ুন কবিরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি বা এজেইউপিতে বড় ধাক্কা। আসানসোলের কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রের এজেইউপি প্রার্থী তাহির খান হঠাৎই নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়ে প্রায় ৫০ জন সমর্থককে নিয়ে শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন।এদিন আসানসোলের আপকার গার্ডেনে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মলয় ঘটকের বাসভবনে তাহির খান সদলবলে শাসক দলে যোগ দেন।














মলয় ঘটক তাদের হাতে দলের পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান। তাহির খানের এই সিদ্ধান্ত শুধু এজেইউপির নির্বাচনী কৌশলকেই দুর্বল করেনি, বরং দলের প্রধান হুমায়ূন কবীরের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।জানা গেছে , তাহির খানের এই পদক্ষেপ এজেইউপির কুলটি সহ আসানসোল শিল্পাঞ্চলের জন্য বড় রাজনৈতিক ক্ষতি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে যখন দলটি নিজেদের রাজ্যের তৃতীয় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছিল।নিজের এই সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তাহির খান বলেন, এজেইউপির হয়ে নির্বাচন লড়ার সিদ্ধান্ত আমি তাড়াহুড়ো করে নিয়েছিলাম।
যা এখন আমি সংশোধন করে নিলাম। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এখন থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মলয় ঘটকের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবেন। তার দাবি, বিজেপিকে সাহায্য করতেই হুমায়ুন কবির এই নতুন দল তৈরি করেছিলেন। মলয় ঘটক বলেন, সবাই আস্তে আস্তে নিজেদের ভুল বুঝতে পারছেন। বিজেপিকে সমর্থন করা মানে মানুষের বিরোধিতা করা। এই দলবদল নিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি প্রধান হুমায়ূন কবীরের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

