ASANSOL

রানীগঞ্জ পুলিশ পাঁচ সদস্যের দুষ্কৃতী দলকে ধরল

বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, রানীগঞ্জ :  আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের রানীগঞ্জ থানার পুলিশ, এক করে ডাকার দলের দুষ্কৃতকারীদের ধরে ফেলার পর, এবার এক যোগে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলে, মেঘালয়ের ভুই জেলার, খানাপাড়া এলাকার  খাদানের মধ্যে থেকে বিহারের সিওয়ানের বাসিন্দা বিবেক চৌধুরী কে গ্রেফতার করার আগেই এই দলের সঙ্গে যুক্ত থাকা আরো পাঁচ সদস্যের দুষ্কৃতী দল, যারা ইতিমধ্যেই বিহারের বেশ কয়েকটি কুখ্যাত ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ও হত্যার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে,

সেই সকল পাঁচ অভিযুক্তকে ডাকাতির ঘটনায়, জড়িত থাকার অপরাধে কলকাতার কসবা থানার কাছ থেকে তাদের 12 দিনের পুলিশ রিমান্ডের মধ্যে, রানিগঞ্জে তাদের নিয়ে এসে  জিজ্ঞাসাবাদ করে, সোনার দোকানের ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকা, দুষ্কৃতী দলের সনু, অজয় ও সুরজের সঙ্গে তাদের যে যোগাযোগ রয়েছে সে বিষয়টি সুনিশ্চিত করে পুলিশ। জানা যায়, বেশ কয়েক দফায় ডাকাতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এই সকল দুষ্কৃতি, কসবা থানা এলাকায় ধরা পড়া বিহারের সিওয়ান জেলার বছর 26 এর প্রিন্স কুমার ভারতী, বছর 25 এর প্রদীপ যাদব, বছর বাইশের অভিষেক কুমার পান্ডে, বছর একুশের মুকেশ কুমার যাদব, বছর 24 এর প্রদুমান কুমার সিং ও সেই বিহারের ছাপরা জেলার বছর উনিশের বিবেক চৌধুরী কে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তাদের সঙ্গে যে যোগাযোগ স্থাপন করে রানীগঞ্জের দূতগীতি দল, এই ডাকাতির পরিকল্পনা করেছিল, সে সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য পায় পুলিশ।

জানা গেছে এই পাঁচ সদস্যের দুষ্কৃতী দল রানীগঞ্জের রাস্তার ধারে দুষ্কৃতীমূলক ঘটনা ঘটানোর জন্য পরিকল্পনা করেছিল সে সকল বিষয় নিয়েও পুলিশ এই দুষ্কৃতী দলের 5 সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে জানা গেছে। সোমবার পুলিশ  ধৃতদের 12 দিনের পুলিশি হেফাজতের পর আসানসোল জেলা আদালতে হাজির করলো। এদিন পুলিশ প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা বলে পিজন ভ্যানে করে ওই সকল দুষ্কৃতীদের আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয় যেখানে মেঘালয়ের পাথর খাদান থেকে ধৃত বিবেক চৌধুরীকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ বলেই জানা গেছে। এখন দেখার পুলিশ কিভাবে ধীরে ধীরে তাদের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দুষ্কৃতী দলের সকল সদস্যদের গ্রেফতার করে ডাকাত দলের লুট করা শোনা ও হীরের গহনা উদ্ধার করে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Hey there! Ask me anything!