ASANSOLBARABANI-SALANPUR-CHITTARANJAN

গুন্ডারাজ ও দাদাগিরির অবসান ঘটিয়ে সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নের বার্তা বারাবনির বিজেপি বিধায়কের

*বেঙ্গল মিরর, সালানপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনি বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক অরিজিৎ রায় এলাকার মানুষের কাছে উন্নয়ন ও শান্তির বার্তা পৌঁছে দিলেন। মঙ্গলবার সালানপুরেট রূপনারায়ণপুরে একটি নতুন বাইক শোরুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, বারাবনির মানুষ এবার অত্যাচার ও ভয়ের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন।জয়ের কৃতিত্ব সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়ে অরিজিৎ রায় বলেন, এটা শুধু আমার জয় নয়, বারাবনি, সালানপুর ও রূপনারায়ণপুরের মানুষের স্বাধীনতার জয়। মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা ও আশীর্বাদ দিয়েছেন, সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।এদিন তিনি আগের শাসক দল ও রাজ্য সরকার এবং জন প্রতিনিধিদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন।

তার অভিযোগ, ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলো তৃণমূল কংগ্রেস। টানা তিনবার সেই দলের বিধায়ক থাকার পরেও আজও বহু মানুষ কাঁচা ও ভাঙাচোরা ঘরে বাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্ষার সময় ঘরের ছাদ দিয়ে জল পড়ে। আমার প্রথম লক্ষ্য হবে এই পরিবারগুলিকে পাকা বাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া। এলাকার পানীয় জলের সমস্যাকেও বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন তিনি। অরিজিৎ রায় বলেন, গ্রামে গ্রামে জলের তীব্র সংকট রয়েছে। মা-বোনেদের চোখে জলের জন্য যে কষ্ট দেখেছি, তা দূর করা এবং প্রতিটি ঘরে নলবাহিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াই আমার অগ্রাধিকার। হিন্দুস্তান কেবলস সহ এলাকার বন্ধ শিল্প সংস্থাগুলির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর রাজ্য ও কেন্দ্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার কাজ করার সুযোগ পেয়েছে।

হিন্দুস্তান কেবলসের মতো বড় শিল্পকে ঘিরে নতুন বিকল্প খোঁজা হবে। যুব সমাজের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন শিল্প গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এছাড়াও তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, এখন আর বারাবনিতে দাদাগিরি বা গুন্ডারাজ চলবে না। মানুষ অত্যাচারের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এবার সবাই খোলা হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিতে পারবে এবং নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ফিরে পাবেন। আমি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, গোটা এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়ে কাজ করবো। এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যায় বিজেপির কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা নবনির্বাচিত বিধায়কের উন্নয়নমুখী ভাবনাকে স্বাগত জানান।

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *