১০২ বছর ধরে চলে আসছে এই ব্যতিক্রমী নিয়ম ১৫ নয়, কুলটির বরাকরের মন্দিরে রথযাত্রার ১ দিন আগে হয় জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা
*বেঙ্গল মিরর, বরাকর ( কুলটি), রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ১৫ দিন আগে নয়, রথযাত্রার ১ দিন আগে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা হয় পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের কুলটি বিধানসভার বরাকরের শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মন্দির মা অন্নপূর্ণা ভান্ডারা মন্দিরে। বুধবার এই মন্দিরে হলো জগন্নাথদেবের ঐতিহ্যবাহী ও ব্যতিক্রমী স্নানযাত্রা। ১০২ বছর ধরে চলে আসছে এই নিয়ম। বুধবার সকাল থেকে হওয়া বিশেষ স্নানযাত্রা দেখতে আসানসোল, দুর্গাপুর, পুরুলিয়া, কলকাতা সহ ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তের ভিড় ছিলো মন্দির প্রাঙ্গনে।














এদিন মন্দিরের সেবাইত হরেকৃষ্ণ বাবা বলেন, এখানে মহাপ্রভু , রাধাকৃষ্ণ ও মা অন্নপূর্ণা সহ বিভিন্ন দেব-দেবীর নিত্য ভোগ-নিবেদন চলতে থাকে। শাস্ত্রীয় নিয়ম অনুসারে স্নানযাত্রার পরে জগন্নাথ মন্দির ১৫ দিন বন্ধ রাখার নিয়ম। কিন্তু এই মন্দিরে অন্যান্য দেব-দেবীর নিত্যভোগ নিবেদন করা হয় । তাই সীতারামবাবার আদেশে এই ব্যতিক্রমী স্নানযাত্রা প্রথা চালু হয়েছে। তা আজও অব্যাহত রয়েছে।এদিনের স্নানযাত্রায় ১২০ প্রকার দ্রব্য দিয়ে স্নান করানো হয়। সাত সমুদ্রের জল, বিভিন্ন তীর্থের পবিত্র মৃত্তিকা,জল পঞ্চদ্রব্য (ঘি, মধু ইত্যাদি) দিয়ে জগন্নাথদেবকে স্নান করানো হয়।
তারপর ঠাকুর রথে উঠবেন।সেবাইত হরেকৃষ্ণ বাবা আরো বলেন, এই বছর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান পেয়ে উৎসব করতে আমরা আরও বেশি উৎসাহিত হয়েছি। ভক্তদের ভালোবাসা ও সরকারি সহযোগিতায় এই উৎসব আরও সুন্দরভাবে পালিত হচ্ছে।অন্যদিকে ভক্তরা বলেন, এই ব্যতিক্রমী স্নানযাত্রা দেখতে এবং জগন্নাথদেবের দর্শন পেতে মন্দিরে আসা। এদিন মন্দির চত্বর সারাদিনই ভক্তদের যাতায়াতে মুখরিত ছিল।


