ASANSOL

*”মাঝরাতে নোটিশ ছাড়াই কেটে দিল লাইন! ৩ গ্রামের জোরালো প্রতিবাদে ফিরল ECL-এর বিদ্যুৎ”*

বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান:* নিস্তব্ধ রাত। হঠাৎই অন্ধকার। *আগাম কোনও নোটিশ নেই, কোনও ঘোষণা নেই* — তাহলে কেন কেটে দেওয়া হল বিদ্যুৎ?*সোমবার মধ্যরাতে* এমনই প্রশ্ন তুললেন *জামুড়িয়া বিধানসভার চিঁচুড়িয়া, ডোবরানা ও চিঁচুড়িয়া ডাঙ্গালপাড়া* — তিন গ্রামের বাসিন্দারা। অভিযোগের তির *ECL-এর সোনপুর বাজারী এরিয়ার* দিকে।

*হঠাৎ লাইন কাটার কারণ কী?*গ্রামবাসীদের দাবি, সোমবার গভীর রাতে ECL কর্তৃপক্ষ তিনটি গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। “৮-১০ বছর ধরে ECL-এর লাইনেই চলছি। হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে” — অভিযোগ স্থানীয় *শংকর ব্যানার্জির*।তাঁর কথায়, *”ECL আমাদের এলাকা থেকে মুনাফা লুঠছে, অথচ সামান্য বিদ্যুৎ দিতে পারছে না?”**সকাল হতেই রাস্তায় নামলেন মহিলা-পুরুষ*লাইন কাটার খবর ছড়াতেই সোমবার সকাল থেকে সরগরম সোনপুর বাজারী এরিয়া অফিস।

*অসংখ্য মানুষ গেট অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান।* দফায় দফায় স্লোগান ওঠে ECL-এর বিরুদ্ধে।চিঁচুড়িয়ার বাসিন্দা *অম্বিকা ব্যানার্জির* গলায় কান্না। তিনি বলেন, *”বাড়িতে ছোট ছেলে আছে। স্টেট লাইনের বিল দেওয়ার ক্ষমতা নেই। ECL-এর ভরসাতেই চলি। মাঝরাতে লাইন কাটলে আমরা যাব কোথায়?”* তিনি হাতজোড় করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও সাহায্য চেয়েছেন।*শেষ পর্যন্ত কী হল?*ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিক্ষোভের পর *জামুড়িয়ার বিধায়ক ড. বিজন মুখার্জি হস্তক্ষেপ* করেন।

তাঁর উদ্যোগেই ECL কর্তৃপক্ষ তিনটি গ্রামে *পুনরায় বিদ্যুৎ সাপ্লাই* দিতে বাধ্য হয়। এরপরই বিক্ষোভ তুলে নেন গ্রামবাসীরা।*তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে…*1. *নোটিশ ছাড়া লাইন কাটা যায় কি?* 2. *লাভের অংশ নেবে, কিন্তু পরিষেবা দেবে না — এই নীতি কি চলবে?*3. *বিদ্যুৎ না পেলে আগামীতে আরও বড় আন্দোলন হবে না তো?* — হুঁশিয়ারি গ্রামবাসীদের।আপাতত বিদ্যুৎ ফিরলেও, তিন গ্রামের মানুষের মনে একটাই আশঙ্কা — *আবার কবে অন্ধকার নামবে?*

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *