সালানপুরের ব্রিজে জলের তোড়ে স্কুটি সহ তলিয়ে গেলো কুলটির যুবক উদ্ধারে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী
*বেঙ্গল মিরর, সালানপুর ও কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* কয়েক ঘন্টার টানা প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আসানসোল শিল্পাঞ্চল। সোমবার সারাদিনের প্রবল বৃষ্টির জেরে কুলটি থানার নিয়ামতপুর-এথোড়া রোডের সালানপুর থানার জহরগড় ব্রিজের উপর দিয়ে প্রবল স্রোতে জল বইতে শুরু করে। জলের তীব্র তোড়ে ব্রিজের একাংশ ভেঙে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।জানা গেছে, সোমবার রাতে জলমগ্ন ঐ ব্রিজ পারাপারের সময় জলের প্রবল স্রোতে একটি চারচাকা গাড়ি ভেসে যায়।














খবর পেয়ে নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িটি উদ্ধার করে। এই ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।এরপরই ঘটে আরও বড় বিপদ। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রবল স্রোতের মধ্যেই স্কুটি নিয়ে ব্রিজ পারাপারের সময় দুই যুবক জলের তোড়ে ভেসে যান। তাঁদের মধ্যে একজন কোনওরকমে নদীর ধারে থাকা একটি গাছ আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু অপর এক যুবক স্কুটি সহ প্রবল স্রোতে তলিয়ে যায়। বেঁচে যাওয়া যুবকের নাম রাজীব পাসোয়ান।

তলিয়ে যাওয়া যুবকের নাম আমির গিয়াস (২০)। দুজনেই কুলটি থানার সীতারামপুরের বাসিন্দা। তারা আসানসোলের একটি হোটেলে কাজ করে। অন্যদিনের মতো সোমবার রাতে তারা স্কুটি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলো।ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে নিয়ামতপুর ফাঁড়ি ও সালানপুর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আসেন পরিবারের সদস্যরাও। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় নিখোঁজ যুবকের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করে। পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের উদ্ধারকারী দল আসে।
তারা প্রবল স্রোত ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই স্পিড বোট দিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে।পরিবারের সদস্যরা এদিন বলেন, রাতে ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় আমরা খোঁজাখুঁজি শুরু করি। কিন্তু পাইনি। এদিন সকালে তলিয়ে যাওয়ার কথা জানতে পারি। এদিকে, নিরাপত্তার স্বার্থে ইতিমধ্যেই জহরগড় ব্রিজের দু’দিকে ব্যারিকেড দিয়ে যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে কোনওভাবেই ওই ব্রিজ পারাপার না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে।পুলিশ জানায়, তলিয়ে যাওয়া যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।






