বারাবনির স্কুলে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন বাল্যবিবাহ রোধ ও শিশুশ্রম বন্ধের বার্তা
*বেঙ্গল মিরর, বারাবনি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বুধবার আসানসোলের বারাবনির দোমোহানি কেলেজোড়া বয়েজ হাই স্কুলে এক বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ব্যাধি যেমন, বাল্যবিবাহ রোধ এবং ছোট ছোট শিশুদের কাজে লাগানো (শিশুশ্রম) নিষিদ্ধ করার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ( ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি বা ডিএলএসএ ) সচিব আম্রপালি চক্রবর্তী।













এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল জ্যোতি গাঙ্গুলী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা।অনুষ্ঠানে এক সংস্থার পক্ষ থেকে সঞ্চয়িতা দে, সানা খাতুন, নয়ন মনি বাউরী, গৌরাঙ্গ তেওয়ারি, কল্যাণ পাল, সুরজিৎ মাঝি এবং সোনালী মাঝি একটি নাটক পরিবেশন করেন। নাটকের মূল বিষয়বস্তু ছিল কিভাবে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম শিশুদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে এবং শিক্ষার অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করে।
উপস্থিত খুদে পড়ুয়ারা ও অভিভাবকরা নাটকটির মাধ্যমে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিম বর্ধমান আইনি পরিষেবার সচিব আম্রপালি চক্রবর্তী বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আমাদের মূল সংকল্প হওয়া উচিত, প্রতিটি শিশুকে শিক্ষার অধিকার দেওয়া। বাল্যবিবাহ এবং শিশুশ্রম হলো সমাজের বড় অভিশাপ, যা শিশুদের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।
আইনি সচেতনতা ও শিক্ষার মাধ্যমেই আমরা এই সামাজিক ব্যাধিগুলি দূর করতে পারি। ছোট ছোট শিশুদের কাজের জায়গায় না পাঠিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে, তবেই একটি সুন্দর ও শিক্ষিত সমাজ গঠন সম্ভব।স্কুলের প্রধান শিক্ষক মৃণাল জ্যোতি গাঙ্গুলী আয়োজক সংস্থা ও আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে এই সুন্দর ও সময়োপযোগী উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

