ASANSOL

মাঝ জঙ্গলে চারটি কঙ্কাল উদ্ধার, কাঁকসায় চাঞ্চল্য

*বেঙ্গল মিরর, কাঁকসা ( দুর্গাপুর), রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* মাঝ জঙ্গলের মধ্যে পড়ে রয়েছে চারটি কঙ্কাল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার সন্ধ্যায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের কাঁকসার মলানদিঘীর জাঠগড়িয়া মোড় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কাঁকসা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। জঙ্গলের ভিতর থেকে একসঙ্গে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। জানা গেছে, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জঙ্গলের বেশ কিছুটা ভিতরে পড়ে থাকতে দেখা যায় চারটি মানুষের কঙ্কাল।

এরপর পুলিশ এলাকা ঘিরে ফেলে এবং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে কঙ্কালগুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আশপাশের এলাকাতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে ওই চারটি কঙ্কাল ঠিক কোথা থেকে এল, কতদিন ধরে সেখানে পড়েছিল কিংবা কীভাবে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। কঙ্কালগুলি কার, তাদের পরিচয় কী এবং মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি ( পূর্ব) রাসপ্রিত সিং বলেন, চারটি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সেগুলি মানুষের কঙ্কাল বলে চিহ্নিত করা গেছে। ফরেনসিক বিভাগের আধিকারিকরা কঙ্কালগুলি উদ্ধার করেছেন। ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পরেই বিস্তারিতভাবে জানা যাবে, কঙ্কালগুলি কার এবং সেগুলির সঙ্গে কোনও নির্দিষ্ট নিখোঁজ ব্যক্তিদের যোগসূত্র রয়েছে কি না।

কিভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর আনুমানিক সময়, পরিচয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।তবে, একসঙ্গে চারটি কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক রহস্য ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কোনও অপরাধের যোগ রয়েছে কি না, নাকি অন্য কোনও কারণে ওই কঙ্কালগুলি জঙ্গলে এসে পড়েছিল সেই সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একইসঙ্গে,পুলিশের তদন্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *