আসানসোলে জেলাশাসকের কার্যালয়ে পশ্চিম বর্ধমানের ১৯ নং জাতীয় সড়ক নিয়ে বৈঠক একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলার ১৯ নং জাতীয় সড়কের অবস্থার আরও উন্নতির জন্য মঙ্গলবার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা বৈঠক হয়। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক বা ডিএম এস পোন্নাবলমের সভাপতিত্বে এই বৈঠক হয়। এই বৈঠকে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা জাতীয় সড়ক (এনএইচএআই), আসানসোল পুরনিগম, আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এবং ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড বা ইসিএলের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। আসানসোলের পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসক কার্যালয়ে এই বৈঠকটি হয়।বৈঠক ১৯ নং জাতীয় সড়কের উপর ক্রমবর্ধমান যানচলাচলের চাপ, সড়ক নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়।














আধিকারিকরা ঘন ঘন দুর্ঘটনা ঘটে এমন স্থানগুলো চিহ্নিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। যাতে দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় তার একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে ।বৈঠকে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে কাল্লা মোড় এবং শীতলা মোড়ে বিশেষ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় শীতলা মোড়ে একটি আন্ডারপাস এবং কাল্লা মোড়ে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণের কথাও বলা হয়েছে ।
এছাড়াও, উখরা এলাকায় ক্রমবর্ধমান যান চলাচলের কথা বিবেচনা করে ১৯ নং জাতীয় সড়ককে চার লেন থেকে ছয় লেনে প্রশস্ত করার একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হয়। আধিকারিকরা পরিকল্পনাগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করেছেন।এর পাশাপাশি , জাতীয় সড়কের ওপর সেতু নির্মাণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ভবিষ্যতে কোথায় নতুন ওভারব্রিজ নির্মাণ করা যেতে পারে, সে বিষয়েও জেলাশাসক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। মনে করা হচ্ছে, এই সবকিছু যানজট কমাবে এবং যাতায়াতকারী সবার জন্য একটি নিরাপদ ও ভালো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।এছাড়াও , জাতীয় সড়কে উন্নত সাইনবোর্ড, রাস্তার লাইট, সার্ভিস রোড এবং জরুরি ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
বিশেষ করে রাতে দুর্ঘটনা কমাতে অতিরিক্ত পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়।বৈঠক শেষে জেলা প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, আগামী দিনে সড়কের পরিকাঠামো শক্তিশালী করার জন্য বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা, সময় সাশ্রয় এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

