ডিভিসির ছাই বোঝাই ট্রাক থেকে পড়ছে ছাই ধুলোয় ঢাকছে নিয়ামতপুর–চিত্তরঞ্জন রোড
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পুরুলিয়ার ডিভিসি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন শতাধিক ছাই বোঝাই ট্রাক বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ট্রাকগুলিতে ত্রিপল দিয়ে ছাই ঢেকে পরিবহন করা হলেও অভিযোগ, গাড়ির নিচের অংশ থেকে ক্রমাগত ছাই ঝরে পড়ছে। এর ফলে কুলটির ডিসেরগড় থেকে নিয়ামতপুর নিউ রোড হয়ে চিত্তরঞ্জন পর্যন্ত বিস্তীর্ণ রাস্তা ধুলো ও ছাইয়ের স্তরে ঢেকে যাচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছাই পড়ে রাস্তা কার্যত ধুলোর চাদরে ঢাকা পড়ছে। যানবাহন চলাচলের সময় সেই ধুলো বাতাসে উড়ে চারপাশের পরিবেশ দূষিত করছে।














এতে পথচলতি মানুষ, মোটরসাইকেল আরোহী, চারচাকা গাড়ির চালক এবং রাস্তার ধারের ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট, চোখে জ্বালাপোড়া এবং সড়কে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। স্থানীয়দের আরও দাবি, রাস্তার ধারের বাড়িঘর, দোকানপাট ও গাছপালাও প্রতিদিন ছাইয়ের আস্তরণে ঢেকে যাচ্ছে।এই সমস্যা দীর্ঘদিনের হলেও এখন পর্যন্ত এর কোন স্থায়ী সমাধান মেলেনি। এর আগেও একাধিকবার সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন।
তাঁদের বক্তব্য, শুধু ত্রিপল দিয়ে ছাই ঢেকে পরিবহন করলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ট্রাকের নিচ থেকে যাতে ছাই ঝরে না পড়ে, তার জন্য কার্যকর প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবহন সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে কড়া নজরদারি জরুরি।রবিবার কুলটি থানার নিয়ামতপুর ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে ছাই পরিবহনকারী ট্রাকগুলির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
ট্রাক চালকদের সতর্ক করার পাশাপাশি ট্র্যাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি ট্রাকের বিরুদ্ধে জরিমানাও করা হয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে তাঁদের দাবি, মাঝে মধ্যে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। নিয়মিত নজরদারি এবং নিরাপদ উপায়ে ছাই পরিবহন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

