ঢাক বাজিয়ে বার্নপুরে খুঁটিপুজোর সূচনায় পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মণ্ডপে পবিত্রতা বজায় রাখার আর্জি অগ্নিমিত্রা পালেরও
*বেঙ্গল মিরর, বার্নপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* থিম ভাবনার দোহাই দিয়ে দেবী দুর্গার চিরাচরিত রূপের বিকৃতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। একই সঙ্গে পুজো মণ্ডপের ভেতরে আমিষ আহার ও জুতো-চটির ব্যবহার এড়িয়ে মণ্ডপের পবিত্রতা রক্ষার আহ্বান জানালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।রবিবার আসানসোলের বার্নপুরে নববিকাশ দুর্গাপুজো কমিটির খুঁটিপুজো উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন মন্ত্রী। প্রথা অনুযায়ী মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে খুঁটি পুজো সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।













সেখানে নিজস্ব মেজাজে ঢাকীদের কাছ থেকে ঢাক নিয়ে নিজেই বাজাতে শুরু করেন তিনি। মন্ত্রীর ঢাকের বোলে মেতে উঠে পুজো কমিটির মহিলা সদস্যরা আনন্দে নৃত্য পরিবেশন করেন।পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো আসন্ন। এমন একটি শুভ অনুষ্ঠানে নববিকাশ ক্লাবের সঙ্গে সামিল হতে পেরে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করছেন।
পাশাপাশি তাঁকে ক্লাবের চিফ পেট্রন করার জন্য নববিকাশ ক্লাবের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির আবেগ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নববিকাশ ক্লাবের এই উদ্যোগ আগামী দিনে আরও বড় আকারে মানুষের মধ্যে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠান থেকে থিম পুজোর সংস্কৃতি ও নিয়মকানুন নিয়ে খোলামেলা বার্তা দেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, বাঙালির ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাসে কোনো বাধা না থাকলেও দেবী প্রতিমার প্রাণপ্রতিষ্ঠার মূল স্থান অর্থাৎ মণ্ডপের অভ্যন্তরে ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আচার বজায় রাখা জরুরি।দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজো উদ্যোক্তারাও সরকারের যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিতে প্রস্তুত। সেই সঙ্গে উৎসবের মরশুমে আসানসোল শহরের রাস্তাঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা এবং পানীয় জলের পরিষেবা স্বাভাবিক রেখে শহরবাসীকে স্বাচ্ছন্দ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।

