আসানসোল শহরে টোটো চলাচলে পুলিশের কড়াকড়ি, আচমকাই ভাড়া দ্বিগুণ বারাবনিতে চালকদের ক্ষোভ
*বেঙ্গল মিরর , বারাবনি ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ*আসানসোল শহরের জিটি রোডে টোটো চলাচল গত তিনদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের তরফে। এর পাশাপাশি আরো কয়েকটি রোডে টোটো চলাচলে পুলিশ কড়াকড়ি করেছে। বিশেষ করে আসানসোল শহরের হটন রোডকে ওয়ান ওয়ে করা হয়েছে। তারমধ্যে শুক্রবার থেকে হটন রোড মোড় ছাড়া আসানসোল জেলা হাসপাতাল ও মহিশীলা কলোনি যাওয়ার ভাড়া দ্বিগুণ করা হয়েছে। ১০ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা ও ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৩০ টাকা করা হয়েছে। আচমকাই রাস্তা ওয়ান ওয়ে করা ও পরের দিন থেকে ভাড়া বৃদ্ধি করা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রশ্ন, কাদের পরিকল্পনায় এমন সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।













তারা দাবি করেন, কেন আগে থেকে টোটোর এই বাড়বাড়ন্ত পুলিশ ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণে আনতে উদ্যোগ নেয়নি। তারই মধ্যে, বারাবনির দোমোহানি বাজার থেকে আসানসোলের যাওয়ার রাস্তায় টোটো চলাচল দুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। শনিবার টোটো চালকরা একত্রিত হয়ে খাসকুটি মোড় সংলগ্ন এলাকায় একটি সভা করেন। খবর পেয়ে বারাবনি থানার পুলিশ সেখানে আসে। পুলিশ টোটো চালকদের সঙ্গে কথা বলে। এরপরে টোটো চালকেরা সেখান থেকে বিজেপি নেতা সুজিত মন্ডলের পার্টি অফিসে গিয়ে তারা সাথে কথা বলেন।
তাদের একটাই বলার বক্তব্য যে আমাদের কালিপূজে পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক। এর পরে আমাদের সরকার থেকে যা ফায়সালা করবে আমরা সব মেনে নেব। এই নিয়ে, বিজেপি নেতা সুজিত মন্ডল বলেন রবিবার সন্ধ্যে ছটার সময় বারাবনির বিধায়ক অরিজিৎ রায়ের কাছে যত টোটো চালকরা আছে তাদেরকে নিয়ে যাবো সেখান থেকেই এর সুরাহা করা হবে। তিনি আরো বলেন, এটা বারাবনি বিধানসভা বা ব্লকের কোন সমস্যা নয়। এট আসানসোলে সমস্যা। বিজেপি সরকার মানুষের সরকার। আশা করি কোন সমস্যার সমাধান হবে।

