ASANSOLKULTI-BARAKAR

বিহার থেকে বাংলায় পাচারের চেষ্টা ! কুলটিতে বাস থেকে উদ্ধার তিন বস্তা কয়েন

*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিপুল পরিমাণ কয়েন পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করল আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ বা ডিডি। মঙ্গলবার ভোরে আসানসোলের কুলটি থানার পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ডুবুরডিহি চেকপোস্টের কাছে অভিযান চালিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উদ্ধার করা হয় তিন বস্তা ভর্তি কয়েন। পুলিশের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া কয়েন আনুমানিক তিন লক্ষ টাকারও বেশি।

আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কাছে, গোপন সূত্রে খবর আসে, একটি যাত্রীবাহী বাসে করে বিপুল পরিমাণ কয়েন বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসা হচ্ছে। সেই খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে কুলটি থানার ১৯ নং জাতীয় সড়কে ডুবুরডিহি চেকপোস্টে নজরদারি শুরু করেন ডিডির আধিকারিকরা। নির্দিষ্ট বাসটি সীমানা পার করে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকার মুখে সেটিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।

বাসের চালক, খালাসি ও যাত্রীদের উপস্থিতিতেই তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বস্তার সন্ধান পান গোয়েন্দারা। বস্তাগুলি খুলতেই বিপুল পরিমাণ কয়েন বেরিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া মুদ্রার মধ্যে ১ টাকা, ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা এবং ২০ টাকার কয়েন রয়েছে বলে ডিডি সূত্রে জানা গেছে।তবে এত বিপুল পরিমাণ কয়েন কোথা থেকে এল এবং কার কাছে বা কি উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য।

তল্লাশির সময় বাসের কোনও যাত্রী বা কর্মীই ঐ কয়েনের মালিকানা দাবি করেননি। ফলে প্রাথমিক তদন্তে কাউকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।উদ্ধার হওয়া সমস্ত কয়েন বাজেয়াপ্ত করেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগ। এত বিপুল পরিমাণ মুদ্রা পরিবহনের পিছনে কোনও বেআইনি লেনদেন, মুদ্রা পাচার, আর্থিক প্রতারণা কিংবা অন্য কোনও চক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েনগুলির উৎস এবং গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি বাসটির রুট ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে ডিডির এক আধিকারিক জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *