রাজনৈতিক মঞ্চ আলাদা কুলটিতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে একসঙ্গে মন্ত্রী ও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* রাজনীতির ময়দানে দল আলাদা। রাজনৈতিক পরিচয়ও ভিন্ন। কিন্তু পুজো উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে পাশাপাশি দেখা গেল দুই নেতাকে। কুলটির বর্তমান বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী ডাঃ অজয় পোদ্দার এবং কুলটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় নিয়ামতপুর সর্বজনীন পুজো কমিটির দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন একসঙ্গে। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে পুজোর শুভ সূচনা করেন তাঁরা।রাজ্যে পালাবদলের পরে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের নেতার একই মঞ্চে উপস্থিতি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।













একদিকে বিজেপির বর্তমান বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় রাজনৈতিক পরিচয় ও মতাদর্শের পার্থক্য থাকলেও দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা বহন করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এই পুজো উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বিজেপি, তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেসের কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কার্যত সামাজিক ঐক্যের মঞ্চ হয়ে ওঠে।দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কুলটি বিধানসভা এলাকায় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের পরিবেশের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী ডাঃ অজয় পোদ্দার।
তাঁর বক্তব্য, দুর্গোৎসব মানুষকে পরস্পরের কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং সামাজিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার সুযোগ করে দেয়।অন্যদিকে, কুলটির প্রাক্তন বিধায়ক উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে ঐক্যের গুরুত্ব উঠে আসে। রাজনীতি নিজস্ব জায়গায় থাকলেও এ ধরনের অনুষ্ঠান মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার বার্তা দেয়।সব মিলিয়ে, নিয়ামতপুরে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে বর্তমান বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী এবং প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের যৌথ উপস্থিতি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে সম্প্রীতির এক অন্য ছবি তুলে ধরল। রাজনৈতিক মঞ্চে মতপার্থক্য থাকলেও সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিতির এই ছবি স্থানীয় মহলে বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

