ASANSOL

আসানসোলে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলারের জমি বিতর্ক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ইসিএলের মাপজোপ

*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোল পুরনিগমের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলার সঞ্জয় নুনিয়ার জমি ঘিরে এবার ইসিএলের তরফে পদক্ষেপ নেওয়া হলো। বৃহস্পতিবার আসানসোলের বড়ধেমোয় সেই জমি পরিমাপ করা হয়েছে। নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছিলো বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে, এই পরিস্থিতিতে এদিন তার আইনজীবীর দাবি, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এখনও বহাল রয়েছে। এক্ষেত্রে আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা ২০২৭ সালের ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে, এমনই দাবি সঞ্জয় নুনিয়ার আইনজীবী অবিনাশ কুমার মিশ্রর।

আর এরই মধ্যে ঐ জমিতে পরিমাপ চালালোয় ইসিএলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যখন আইনি প্রশ্ন উঠছে, তখন কেন জমি পরিমাপ করা হল? তাই ইসিএলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন সঞ্জয় নুনিয়ার আইনজীবী।এরই মধ্যে সামনে এসেছে সঞ্জয় নুনিয়ার আইনজীবী অবিনাশ কুমার মিশ্রের পাঠানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল। সেখানে আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা এবং ইসিএলের পদক্ষেপ নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। ইমেইলে আসানসোলের দ্বিতীয় দেওয়ানি আদালতের উল্লেখ রয়েছে।আইনজীবী তাঁর ইমেইলে ইসিএলের ধেমোমেন গ্রুপ অফ মাইনসের সংশ্লিষ্ট এজেন্ট ও চীফ ম্যানেজারের( মাইনিং) কথা উল্লেখ করেছেন।

পাশাপাশি, মৌজা বড় ধেমো সংক্রান্ত এভিকশন প্যান নং ১০২২ বাস্তবায়নের বিষয়ে একটি আদেশের উল্লেখ রয়েছে।অর্থাৎ, ইমেইলের মূল বিষয় হল ইসিএলের উচ্ছেদ-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞার বর্তমান অবস্থা নিয়ে আইনজীবীর আপত্তি।এদিন আইনজীবী অবিনাশ কুমার মিশ্র দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা ১৫ জানুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে।

আইনজীবীর আরও অভিযোগ, ইসিএলের সংশ্লিষ্ট নোটিশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁর দাবি, এই বক্তব্য সঠিক নয়। আদালতের নিষেধাজ্ঞা তখনও কার্যকর ছিল।এই কারণেই ইসিএলের উচ্ছেদ-সংক্রান্ত পদক্ষেপ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি।

তাঁর বক্তব্য, আদালতের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকা অবস্থায় এমন কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলে, যা আদালতের নির্দেশের বিরোধী। তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে। এর পাশাপাশি পুলিশি সহায়তা নিয়ে পদক্ষেপ করার বিষয়েও আপত্তির কথা উঠে এসেছে।তবে, দাবি, অভিযোগ ও জমির পরিমাপ করা নিয়ে ইসিএলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *