ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় আসানসোলে স্কিলড ও রণপা র্যালি
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়:* ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে সোমবার আসানসোলে আয়োজন করা হল স্কিলড ও রণপা র্যালি। পশ্চিম বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে আসানসোলের বিএনআর মোড় থেকে পোলো গ্রাউন্ড পর্যন্ত হওয়া এই র্যালির মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব এবং মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন থাকার বার্তা দেওয়া হয়।













এই কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ( সিএমওএইচ) ডাঃ ইউনুস খান বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্ষার মরশুম শেষ হলেও বিভিন্ন জায়গায় এখনও জল জমে রয়েছে। জমা জলে মশার বংশবিস্তার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এখন থেকেই মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া যাবে।
সেই লক্ষ্যেই সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে অ্যান্টি-ডেঙ্গু র্যালির আয়োজন করা হয়েছে।তিনি জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এখনও জল জমে থাকার সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি, কিছু জায়গায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবও দেখা যাচ্ছে। এর ফলে মশার বংশবিস্তারের আশঙ্কা বাড়ে।
শহরাঞ্চলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পুরসভার যেমন দায়িত্ব রয়েছে, তেমনই প্রত্যেক নাগরিকেরও নিজের বাড়ি এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব রয়েছে। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।এদিনের কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কেও সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়।
মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, শারীরিক স্বাস্থ্যের মতো মানসিক স্বাস্থ্যও মানুষের সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানসিক সমস্যাকে অবহেলা না করে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সাহায্য নেওয়া উচিত। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে একসঙ্গে সামনে রেখে আয়োজিত এই র্যালিতে স্কিলড ও রণপা প্রদর্শনের মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।এদিনের এই র্যালির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।

