ASANSOLRANIGANJ-JAMURIA

রানীগঞ্জ পুলিশ কড়া হাতে পালন করল লকডাউন

বেঙ্গল মিরর, রানীগঞ্জ, চরণ মুখার্জি, ৮ই আগস্ট ঃ-
আগস্ট মাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউন কর্মসূচি বেশ কড়াকড়ি ভাবে পালন করল পুলিশ প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকেই আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এর রানীগঞ্জ শাখার পুলিশ রাস্তায় নেমে করা হাতে আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গ কারীদের শায়েস্তা করে। গত কয়েকদিন ধরেই একনাগাড়ে প্রচার করে চলেছে পুলিশ-প্রশাসন। রানীগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকাকে করেন্টিন জোন করে তোলা হয়েছে, আর সেসব এলাকায় অহেতুক ঘোরাফেরা করা মানুষজন এদের দীর্ঘ পুলিশ জেলার মধ্যে পড়তে হয়েছে শনিবার। এদিন পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অন্যায় ভাবে লক ডাউন এর সময় কোন নিয়ম বিধি না মেনে অহেতুক ঘোরাফেরার কারণে 19 জনকে অ্যারেস্ট করে পুলিশ। জানা গেছে রানীগঞ্জের বল্লভপুর এলাকা পাঞ্জাবীমোড় এলাকা ও রাজবাড়ী মোড় এলাকাতে নিয়ম ভঙ্গ কারীদের শায়েস্তা করতে রাস্তায় নেমে বেশ কয়েকজন অহেতুক ঘোরাফেরা লোকজনের জিজ্ঞাসাবাদ করে বাড়ি ফিরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। একই সাথে যে সকল মানুষেরা কোন বিশেষ কাজে বেরিয়েছেন ও প্রকৃত কাজের ব্যাখ্যা দিয়ে জরুরী কাজ করার জন্য ছাড় পেয়েছেন পুলিশ প্রশাসনের কাছে। জানা গেছে রানীগঞ্জ শহর এলাকায় করোনা আবহ ও ভয়াবহতা দেখে আরো বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন ।জেলা শাসকের নির্দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য খনি অঞ্চল রানীগঞ্জের বেশ কয়েকটি এলাকাকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে । করনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ার কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে রানীগঞ্জের সিয়ারসোল, রাজবাড়ী মোড় এলাকা, রাম বাগান এলাকা, হিল বস্তি, রাজার বাঁধ, কুমোর বাজার, ইস্ট কলেজ পাড়া, হাসপাতাল পট্টি, শিশু বাগানের শালডাঙ্গা ,এম জি রোড, j.l. নেহেরু রোড, সি আর রোড ,আর আর রোড, ষষ্ঠী গড়িয়া, তিলক রোড, অশোক পল্লী, স্কুল পাড়া, বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাল পাড়া, রঘুনাথ চক, জেমেরি গ্রাম পঞ্চায়েতের জে কে নগর, নিমচা 2 নম্বর চার নম্বর কোলিয়ারি এই সকল এলাকা গুলিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কনটেইনমেন্ট জন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সমস্ত রকম বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়েছে এখানে , যথেচ্ছভাবে ঘোরাফেরা চলবেনা এসকল এলাকায় বলেই জানিয়েছেন জেলাশাসকের দপ্তর। গতকাল থেকেই সবকটি এলাকাতেই বাসের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়, শনিবার বাকি থাকা অন্য সব এলাকা গুলিকে বাসের ব্যারিকেড দিয়ে ঘেরার ব্যবস্থা করে প্রশাসন। নিয়ম ভঙ্গ কারীদের করা হাতে শ্বাস নিতেও পিছপা হয় না প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *