ডিও সিন্ডিকেটের রমরমা কারবার, কোটি -কোটি টাকার তোলা
বেঙ্গল মিরর, সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত ও রাজা বন্দোপাধ্যায়* : কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝা খুনের পরেও ডিওর আড়ালে কয়লাঞ্চলে চাঁদা আদায়ের সিন্ডিকেট সক্রিয়। সূত্রের খবর, রাজু ছাড়াও সুশীল, সৌরভ, জয়দেব, পাপ্পু, উমর, ছাতু, মোজুল, লোকেশ প্রমুখ গত ১০ মাস ধরে এই নতুন কয়লা সিন্ডিকেটে রয়েছেন। আরও জানা গিয়েছে, এই সিন্ডিকেটের প্রধান প্রায় ১৫ -২০ জন। একইসঙ্গে একজন কুখ্যাত লোহা মাফিয়াও আরেকজনের মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। যারা এই কোটি কোটি টাকা বন্টন করেন। শুধু শাসকই নন, বিরোধী দলের নেতারাও ভাগ পান বলে সূত্র মারফত খবর আর সে কারণেই এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন না ওই ব্যক্তিরা।













এই কয়লা সিন্ডিকেট কিভাবে কাজ করে?* কয়লা কোম্পানিগুলো থেকে কয়লা নিলামের পর ওই ব্যক্তিকে ‘ডিও’ অর্থাৎ কয়লা পরিবহন করতে হয়, ‘লোডিং’-এর নামে লরি প্রতি প্রায় ৮ হাজার টাকা এবং প্রতি টন ৬৫০ থেকে ২৭০০ টাকা নেওয়া হয়। এই সিন্ডিকেট প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকা আদায় করে। সূত্র জানায়, এই সিন্ডিকেট প্রতি মাসে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা তোলা নেয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যবসায়ীরা বলেন, “এই সিন্ডিকেটগুলো এতটাই শক্তিশালী যে অনেক খনি কয়লা নিলামের অনুমতি পায় না।” শিল্পের প্রয়োজনে কয়লার প্রয়োজন হলে তাদের সঙ্গে কথা বলে কয়লা পাওয়া যায়।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে রাজু ঝা এর বিলাসবহুল হোটেলে কয়লা সিন্ডিকেটের লোকজন প্রায়ই মিলিত হতো। কয়লা প্রধানত পাণ্ডবেশ্বর, উখরা, সোনপুর বাজার, ঝাঁজরা, জামুরিয়া প্রভৃতি এলাকা থেকে আসত।
- आसनसोल प्रगति के 14वें विवेकानंद गोल्ड कप फुटबॉल टूर्नामेंट का शुभारंभ
- আসানসোল প্রগতি”র ১৪ তম বিবেকানন্দ গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন
- ১.৩৫ লক্ষ মানুষ হবেন উপকৃত আসানসোলে ৪১.২৯ কোটি টাকার ১১টি জল সরবরাহ প্রকল্পের সূচনায় অগ্নিমিত্রা পাল
- আসানসোলে ৪১.২৯ কোটি টাকার জল সরবরাহ প্রকল্পের সূচনায় অগ্নিমিত্রা পাল, ১.৩৫ লক্ষ মানুষ হবেন উপকৃত
- आसनसोल के मंदिर में ‘स्वच्छता से स्वागत’ कार्यक्रम, अग्निमित्रा पाल ने दिया प्लास्टिक मुक्त और स्वच्छता का संदेश


