পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আসানসোলে ডাঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালন
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার বিকেলে আসানসোল রবীন্দ্র ভবনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসনের তরফে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা জানাতে সেই অনুষ্ঠানে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নাবলম আসানসোল উত্তর, রানিগঞ্জ ও পান্ডবেশ্বরের তিন বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, জিতেন্দ্র তিওয়ারি ও পার্থ ঘোষ এবং আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।














তাঁরা সকলেই ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এই অনুষ্ঠানে অতিথিরা ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তারা বলেন , পশ্চিমবঙ্গ যদি আজ ভারতের একটি অংশ হয়ে থাকে, তবে তা ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কারণেই সম্ভব হয়েছে। তিনি তৎকালীন ভারত সরকারের সেই নীতির বিরোধিতা করেছিলেন, যে নীতিতে তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য একটি পৃথক সংবিধান তৈরি করেছিলেন। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সর্বদা বলতেন যে এক দেশে এক সংবিধান, এক প্রধান, এক পতাকা থাকবে।

এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি জম্মু ও কাশ্মীরে গিয়েছিলেন। যেখানে তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে তিনি মারা যান। তবে, তৎকালীন ভারত সরকার তাঁর মৃত্যুর তদন্ত পর্যন্ত করেনি। তারা আরো বলেন, শুধুমাত্র ডাঃ শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কারণেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হয়েছিল।
বলা হয়েছিল যে ভারত ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত হয়েছিল। তাই এই অঞ্চলের হিন্দু বাঙালিদের জন্য একটি পৃথক রাজ্য তৈরি করতে হবে। এই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ গঠিত হয়েছিল।এদিন, এই উপলক্ষে রবীন্দ্র ভবনে অঙ্কন প্রতিযোগীতা ও কুইজের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও, একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আসানসোলের উমারানি গড়াই মহিলা কল্যান ও মনিমালা গার্লস হাইস্কুলের পড়ুয়ারা অংশ নেয়।


