কাঁওয়ার যাত্রা’ আসানসোলে মন্দির ও ক্যাম্প পরিদর্শনে জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনার, দেখলেন নিরাপত্তা ও পরিষেবা
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* শ্রাবণ মাসের ” কাঁওয়ার যাত্রা” কে সামনে রেখে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের ১৯ নং জাতীয় সড়কের চন্দ্রচূড় মন্দিরে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রবিবার পরিদর্শনে যান পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নাবলম এবং আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার ডাঃ প্রণব কুমার। তারা এলাকায় হওয়া একটা ক্যাম্প বা শিবিরও ঘুরে দেখেন। তাঁদের সঙ্গে প্রশাসন, পুলিশ এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।পরিদর্শনের সময় মন্দির চত্বর, ভক্তদের চলাচলের পথ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পানীয় জল, শৌচালয়, আলো, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও সহায়তা কেন্দ্রের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হয়।














ভক্তদের যাতে কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন জেলাশাসক।পরিদর্শনের পরে জেলাশাসক এস. পোন্নাবলম বলেন, কাঁওয়ার যাত্রায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের নিরাপত্তা ও সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসন কাজ করছে। জাতীয় সড়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে সহায়তা কেন্দ্র, পানীয় জল, শৌচালয়, বিশ্রামের ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
পাশাপাশি পুলিশ, সিভিল ডিফেন্স, স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য দফতরের কর্মীরা থাকবেন, যাতে উৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়।প্রসঙ্গতঃ, এই ” কাঁওয়ার যাত্রা ” হলো শ্রাবণ মাসে শিবভক্তদের বার্ষিক তীর্থযাত্রা। এই তীর্থযাত্রীদের কাঁওয়িরা বা ভোলে বলে। তাঁরা উত্তরাখন্ডের হরিদ্বার, গোমুখ, গঙ্গোত্রী এবং বিহারের সুলতানগঞ্জে পবিত্র গঙ্গা নদীর জল আনতে যান। লাখ লাখ ভক্ত গঙ্গার পবিত্র জল বহুদূর বহন করে স্থানীয় শিব মন্দির বা বিশেষ মন্দির যেমন মীরাটের পুরা মহাদেব এবং ঔঘরনাথ ও কাশী বিশ্বনাথ, বৈদ্যনাথ এবং ঝাড়খণ্ডের দেওঘরের মন্দিরে জল দেন।


