জামুড়িয়া সিপিএমের রক্তদান শিবিরে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি ঘিরে উত্তেজনা, দুপক্ষের মধ্যে বচসা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ
বেঙ্গল মিরর, জামুড়িয়া, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের জামুড়িয়া বিধানসভার আসানসোল পুরনিগমের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১০ নম্বর এলাকায় সিপিএমের উদ্যোগে প্রয়াত সাংসদ বিকাশ চৌধুরীর স্মরণে ২২ তম প্রয়াণ দিবসে শনিবার একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। হঠাৎ উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। রক্তদান শিবির উপলক্ষে হওয়া মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখছিলেন সিপিএমের রাজ্য নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেই সময় বিজেপির মণ্ডল-৪-এর সম্পাদক রাজু গাঙ্গুলি এবং মণ্ডল-৪ যুব মোর্চার সভাপতি বিশাল গাঙ্গুলি সহ কয়েকজন বিজেপি কর্মী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ, এরপর মঞ্চ থেকেই মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজীব গাঙ্গুলির ও বিশাল গাঙ্গুলির বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সেখানে উপস্থিত সিপিএমের সমর্থকেরা বিজেপি কর্মীদের অনুষ্ঠানস্থল ছেড়ে চলে যেতে বলেন।














অভিযোগ, এরপর কিছু বিজেপি কর্মী অনুষ্ঠানকে ঘিরে আপত্তিকর মন্তব্য করলে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জামুড়িয়া থানার পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষকে শান্ত করে। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের তৎপরতায় কোনও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয় এবং পরে রক্তদান শিবির স্বাভাবিকভাবে শেষ হয়। সিপিএমের তরফে বলা হয়েছে, গোটা বিষয়টি নিয়ে জামুড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে বলেন, এদিন যা হলো এটাই বিজেপির চরিত্র। তৃণমূল কংগ্রেসের জমানায় যা হতো, তা বিজেপির জমানায় হচ্ছে। সব জায়গায় বিজেপি দমন-পীড়ন করার চেষ্টা করছে। বাংলার মানুষ সব দেখছেন। তিনি আরো বলেন, বিজেপির যদি সাহস থাকে তাহলে বলুক, যারা এসেছিলো, তারা দলের নয়।এই প্রসঙ্গে বিজেপি ৪ নং মন্ডল সভাপতি সঞ্জয় সিং বলেন বিজেপির নেতারা ওখানে কোন গন্ডগোল করতে যায় নি। সবাই এলাকার বাসিন্দা। রক্তদান শিবির সবাই করতে পারে। কিন্তু সিপিএমের তরফে এদিনের রক্তদান শিবির থেকে বিজেপির নামে অপপ্রচার করা হচ্ছিলো। তাই স্থানীয় বিজেপি নেতারা তার প্রতিবাদ করেন।


