আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলে সেরা পড়ুয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল মেধাবী পড়ুয়াদের অসামান্য শিক্ষাগত কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে বৃহস্পতিবার একটি সেরা পড়ুয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে অভিভাবক, শিক্ষক, পড়ুয়া, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের শুভাকাঙ্ক্ষী সহ প্রায় ৫০০ জন উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি স্কুলের চেয়ারম্যান শচিন্দ্রনাথ রায় এবং ডিরেক্টর মিতা রায়ের উপস্থিতিতে হয়। যাদের দক্ষ পরিচালনা ও উৎসাহ পড়ুয়াদের শিক্ষাগত অগ্রগতি এবং সার্বিক বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। তাঁদের দূরদৃষ্টি, প্রতিশ্রুতি এবং সমর্থন একটি ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে সাহায্য করেছে।














যেখানে পড়ুয়ারা কঠোর পরিশ্রম করতে এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে অনুপ্রাণিত হয়।এদিনের অনুষ্ঠানে মোট ৮২ জন পড়ুয়াকে তাদের প্রশংসনীয় শিক্ষাগত পারদর্শিতার জন্য সংবর্ধনা জানানো হয়। প্রত্যেক পড়ুয়াকে একটি করে শংসাপত্র এবং একটি স্মারক দেওয়া হয়েছে । শিক্ষাবর্ষ জুড়ে তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিষ্ঠা, অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কারগুলো প্রদান করা হয়। তার মধ্যে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শীর্ষস্থান অধিকারীদের কৃতিত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল।
বেশ কয়েকজন পড়ুয়া ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়ে তাদের পিতামাতা, শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের জন্য অপরিসীম গর্ব বয়ে এনেছে। দশম শ্রেণীর টপারদের মধ্যে রয়েছে: তামহীদ তানভীর -৯৯%, প্রিয়াঙ্কা কুমারী ভার্মা -৯৮%, সুপ্রভা সরকার -৯৭%, রৌনক গুপ্ত -৯৫%, শ্রেয়া জয়শ্বরা-৯৩%, শ্রুতি কুমারী-৯৩%, অদিতি শর্মা-৯৩%, আনুশিকা কুমারী-৯২%, গৌরব সিং-৯২%,দেব কুমার কেওয়াত-৯২% ও আরিয়ান কুমার-৯০%। দ্বাদশ শ্রেণির টপাররা হলো, অর্পিত কুমার-৯৩% (বিজ্ঞান),পাপড়ি ঘোষ-৯০% (বিজ্ঞান),রিমঝিম মাজি -৯০% (আর্টস), দীপ্তি পাঠক-৯৬.২% (বাণিজ্য), আয়ুষ বার্নওয়াল-৯৪.৪% (কমার্স), খুশি আগরওয়াল-৯৩.৬% (কমার্স), জাকিয়া ফারহীন- ৯২.৮% (কমার্স), ফারহান হুসাইন- ৯১.৮% (কমার্স), স্ট্রবেরি দাস-৯০.৬% (কমার্স) ও শিপরা ভার্মা-৯০% (কমার্স)।
শচীন রায় বলেন, এই অসাধারণ রেজাল্ট পড়ুয়াদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সংকল্পের পাশাপাশি শিক্ষকমণ্ডলীর মূল্যবান অবদানকেও প্রতিফলিত করে। নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশনা, ব্যক্তিগত মনোযোগ, প্রতিকারমূলক সহায়তা, মূল্যায়ন এবং উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের তাদের শক্তি শনাক্ত করতে এবং প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছেন।স্কুলের চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টরের প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। পরে ছাত্রছাত্রীদের একটি গান ও নৃত্য সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়।


