২৬ হাজার কেন্দ্রীয় বেতনের দাবিতে কুলটি সেল কারখানার গেটে বিক্ষোভ, আন্দোলনে ৫৫০ ঠিকা কর্মী
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় বেতন ( সেন্ট্রাল ওয়েজেস) চালুর দাবিতে কুলটি সেল গ্রোথ ওয়াকর্স কারখানার ঠিকা কর্মীদের আন্দোলন বুধবার দ্বিতীয় দিনেও অব্যাহত রইল। বুধবার কারখানার মেন গেটের সামনে অবস্থান করে রাস্তা অবরোধ করে জোরদার বিক্ষোভ দেখান প্রায় ৫৫০ জন ঠিকা কর্মী । এর আগে আন্দোলনের প্রথম দিন মঙ্গলবার কারখানার ভেতরে ধর্ণা ও বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন কর্মীরা।বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে লেবার কোড কার্যকর হলেও কুলটি কারখানায় কর্মরত প্রায় ৫৫০ জন ঠিকাশ্রমিক এখনও ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় বেতনের সুবিধা পাচ্ছেন না।














দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার পরও নির্ধারিত বেতন কাঠামোর সুবিধা না মেলায় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।কর্মীদের অভিযোগ, কারখানার উৎপাদন ও বিভিন্ন কাজে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে চলেছেন। কিন্তু তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। লেবার কোড কার্যকর হওয়ার পর কেন্দ্রীয় বেতন চালু হবে বলে তাঁরা আশা করেছিলেন। তবে এখনও পর্যন্ত সেই দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ।আন্দোলনকারী কর্মী বিনোদ সিং বলেন, ঠিকা কর্মীদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কেন্দ্রীয় বেতন চালু করা হয়নি।
তাঁর দাবি, সেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে শীঘ্রই কেন্দ্রীয় বেতন চালু করার কথা বলা হলেও এখনও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।কর্মীদের আরো বক্তব্য, শুধু আশ্বাসে আর কাজ হবে না। ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় বেতন চালু না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
সেই দাবিতেই দ্বিতীয় দিনে কারখানার প্রধান গেটের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন তাঁরা।বিক্ষোভ চলাকালীন কর্মীদের কেন্দ্রীয় বেতন চালু করা এবং তাঁদের অন্যান্য দীর্ঘদিনের দাবিগুলি দ্রুত পূরণের দাবি জানান। বিনোদ সিং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সেল কর্তৃপক্ষ দাবি মেনে না নিলে আন্দোলন ও ধর্মঘট আরও জোরদার করা হবে এবং কারখানায় কাজ বন্ধ রাখা হবে।
এদিন ঠিকা কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে কারখানার প্রধান গেট সংলগ্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলও ব্যাহত হয়। এখন প্রায় ৫৫০ জন ঠিকা কর্মীদের ২৬ হাজার কেন্দ্রীয় বেতনের দাবি নিয়ে সেল কর্তৃপক্ষ কি পদক্ষেপ করে, সেদিকেই তাকিয়ে আছেন ঠিকা কর্মীরা। তবে, কর্মীদের দাবি নিয়ে সেল কতৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।


