ASANSOL

আসানসোল জেলা হাসপাতালে ট্রমা সেন্টারে প্রথম দুটি হাঁটুর প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* গণেশ চতুর্থীর দিন সোমবার প্রথমবারের মতো আসানসোল জেলা হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে এক মহিলা রোগীর দুটি হাঁটু প্রতিস্থাপন বা টোটাল নি রিপ্লেসমেন্ট (টিকেআর) করা হয়। এই অস্ত্রোপচারটি করেন অর্থোপেডিক সার্জেন ডাঃ নির্ঝর মাজি। আসানসোলের সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দা বছর ৬০ র ঝর্ণা দাস নামে ঐ রোগীর অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। আপাততঃ রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাকে আরো কয়েক দিন হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

এই প্রসঙ্গে জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, সোমবার হওয়া এই অস্ত্রোপচারে ডাঃ মাজির সঙ্গে এই অস্ত্রোপচারে সহযোগিতা করেছেন স্পাইনাল অ্যানেস্থেসিস ডাঃ প্রণব দত্ত এবং তার টিম। এছাড়াও ছিলেন জেলা হাসপাতালে নার্সিং স্টাফ ও ওটি অ্যাসিস্ট্যান্টরা। এই রোগীর ইমপ্লান্টের ব্যবস্থা করেছে জেলা হাসপাতাল ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর বা সিএমওএইচ অফিসের স্টোর। সবার সহযোগিতায় এই ধরনের অস্ত্রোপচার জেলা হাসপাতাল ও জেলা হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে প্রথম হলো।

রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। জেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঝর্ণা দাস নামে ঐ রোগী দীর্ঘক্ষণ হাঁটু ভাঁজ করে রাখতে পারতেন না। তিনি তীব্র হাঁটুর ব্যথায় ভুগছিলেন।এমনকি বাথরুমে যেতেও তার অসুবিধা হতো। বিশেষ করে ঘুমানোর সময় তীব্র হাঁটুর ব্যথা হতো। সেই ব্যাথার কারণে তিনি ঘুমোতে পারতেন। মাস দেড়েক আগে ঝর্ণাদেবী আসানসোল জেলা হাসপাতালের আউটডোরে ডাঃ নির্ঝর মাজির কাছে আসেন। তখন বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার পরে চিকিৎসক বুঝতে পারেন, তার হাঁটু দুটো আর নিজের অবস্থানে নেই। তখন তিনি তার বাড়ির লোকেদেরকে গোটা বিষয়টি বলে, হাঁটু দুটোর প্রতিস্থাপন বা রিপ্লেসমেন্টের কথা বলেন। তাতে বাড়ির লোকেরা সম্মতি দেন। সেই মতো দিন চারেক আগে তিনি জেলা হাসপাতালে ভর্তি হন। জেলা হাসপাতালে এমন একটি অস্ত্রোপচার হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই রোগীর বাড়ির লোকেরা খুশি।

News Editor

Mr. Chandan | Senior News Editor Profile Mr. Chandan is a highly respected and seasoned Senior News Editor who brings over two decades (20+ years) of distinguished experience in the print media industry to the Bengal Mirror team. His extensive expertise is instrumental in upholding our commitment to quality, accuracy, and the #ThinkPositive journalistic standard.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *