কুলটিতে বহুতলের পার্কিং লটে গভীর রাতে আগুন, পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা আবাসিকদের
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পেলেন আসানসোলের কুলটি থানার নিয়ামতপুরের একটি বহুতল আবাসনের আবাসিকরা। শনিবার গভীর রাতে নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পেছনের বহুতল আবাসনের পার্কিং লট থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বেরোতে দেখেন নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশকর্মীরা। বিষয়টি নজরে আসতেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎপর হন তাঁরা।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পুলিশ তড়িঘড়ি আবাসনের সমস্ত বাসিন্দাকে ঘুম থেকে তুলে নিরাপদে বাইরে বের করে নিয়ে আসে।













পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় দমকল বাহিনীকে। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে আগুনের তীব্রতায় আবাসনের পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা পাঁচটি মোটরবাইক ও স্কুটি এবং একটি চারচাকা গাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে আবাসনের বাসিন্দাদের মধ্যে।দমকলের এক আধিকারিক প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন, কোনভাবে শট সার্কিট বা গাড়ি থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, দমকল আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, ঐ বহুতল আবাসনে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।ঐ আবাসনের আবাসিকরাও স্বীকার করেন যে, সেখানে কোন অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিলো না।স্বাভাবিক ভাবেই বহুতল আবাসনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশের দ্রুত তৎপরতা এবং সময়মতো বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কারণেই বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।এই প্রসঙ্গে পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক বা ডিএম এস পোন্নাবলম রবিবার সকালে বলেন, ঐ আবাসনের ব্যাপারে পুলিশ ও দমকলের কাছ থেকে রিপোর্ট নেওয়া হবে। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

