পুকুর ভরাট ও অবৈধ নির্মাণ নিয়ে সিএমওতে অভিযোগ, নির্দেশ পেয়ে কুলটির বিএলআরও অফিসের পরিদর্শন
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়:* কুলটি বিধানসভা এলাকায় পুকুরের পাড়ে অবৈধভাবে বহুতল নির্মাণ এবং পুকুর ভরাট করে জমি বিক্রির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা চীফ মিনিস্টার অফিসে (সিএমও)-তে অভিযোগ জমা পড়ে। এর পর নির্দেশ পেয়ে মঙ্গলবার আচমকাই পরিদর্শনে আসে কুলটির বিএলআরও অফিসের একটি দল।সিএমও-র নির্দেশের পর কুলটি বিধানসভার অন্তর্গত নিয়ামতপুর মৌজার ১৫ ও ১৬ নম্বর দাগে পুকুরের পাড়ে নির্মীয়মাণ বাড়িগুলি পরিদর্শন করেন বিএলআরও অফিসের আধিকারিকরা।











পাশাপাশি, নিয়ামতপুরের ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রিয়া কলোনি বস্তিতে হাইড্রেনের উপর অবৈধভাবে নির্মিত বাড়িগুলিও পরিদর্শন করা হয়।পরিদর্শনের সময় এলাকায় উপস্থিত বিজেপি কর্মী তথা আইনজীবী কঞ্চন সিনহা বলেন, সিএমও-তে অভিযোগ জমা পড়ার পর সেখানকার নির্দেশে বিএলআরও অফিসের দল এদিন সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি পরিদর্শন করেছে।
পুকুর ভরাট করে অবৈধ নির্মাণের কাজ করা এবং যাঁরা এই নির্মাণের কাজ করাচ্ছেন, তাঁদের নোটিস পাঠিয়ে ডেকে পাঠানো হবে। পাশাপাশি, জমি সংক্রান্ত সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।কাঞ্চন সিনহা আরো বলেন, নিয়ামতপুর-চিত্তরঞ্জন রোডে কসমো বাজারের ঠিক পিছনে ১৫ ও ১৬ নম্বর দাগে পুকুরের পাড়ে কোনও সীমানা প্রাচীর ছাড়াই কিভাবে এত বড় চারতলা বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে।
অন্যদিকে, প্রিয়া কলোনি বস্তির বাসিন্দাদের নিত্যদিনের দুর্ভোগের বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষার সময় ঐ এলাকার অধিকাংশ বাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়ে। এর অন্যতম কারণ হাইড্রেনের উপর অবৈধ দখল। অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি হাইড্রেনের উপর নির্মাণ করে নিকাশি নালার মুখ ঘুরিয়ে দিয়েছেন অথবা বন্ধ করে দিয়েছেন।
এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বিএলআরও অফিসের পরিদর্শনের পর এইসব এলাকায় জমি, পুকুর ভরাট এবং নিকাশি নালার উপর অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে কি পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের।তবে, পরিদর্শন করা নিয়ে বিএলআরও অফিসে আধিকারিকরা কোন প্রতিক্রিয়া দেননি।


