অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা , তৃনমুল সদস্যকে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ, কাঠগড়ায় বিজেপি
*বেঙ্গল মিরর, অন্ডাল, চরণ মুখার্জী ও রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* কৃষি কর্মাধ্যক্ষের শূন্য পদে ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতিতে। মঙ্গলবার অন্ডাল বিডিও অফিসে ভোটাভুটির আয়োজনকে ঘিরে উঠল পক্ষপাতিত্ব ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা সদস্যদের আটকে দেওয়ার অভিযোগ। কাঠগড়ায় বর্তমান শাসক দল বিজেপি। অন্ডাল ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ হারাধন ধীবরের মৃত্যুর পর প্রায় এক মাস ধরে পদটি শূন্য পড়েছিল। সেই শূন্য পদ পূরণের জন্যই মঙ্গলবার বিডিও অফিসে নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।











অন্ডাল পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট সদস্য সংখ্যা ২৩ জন। এর মধ্যে ২২ জন তৃণমূল কংগ্রেসের। বাকি ১ জন বিজেপির। তার নাম দীনেশ লাল। হারাধন ধীবরের মৃত্যুর পর সদস্য সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ২২-এ।এদিনের ভোটে বিজেপির সদস্য দীনেশ লাল উপস্থিত ছিলেন। তাকে দলের তরফে এই পদের জন্য মনোনীত করা হয়েছিলো বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে । কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যের এদিন বিডিও দেখা যায় নি।
স্বাভাবিক ভাবেই তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এদিকে, এদিন বিতর্কের সূত্রপাত খান্দ্রা পঞ্চায়েতের সমিতি সদস্য মঞ্জু ভট্টাচার্যের অভিযোগকে ঘিরে। তাঁর অভিযোগ, ভোটাভুটির কথা তাঁকে জানানো হলেও বিডিও অফিস চত্বরে পৌঁছনোর পর তাঁকে গেট থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় ও ভোটে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।মঞ্জু ভট্টাচার্যের দাবি, আমাকে ভোটের জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু অফিসে ঢুকতেই আমাকে বাইরে চলে যেতে বলা হয়।
আমার মতো আরও কয়েকজন সদস্যকেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি।যদিও এই অভিযোগ নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি বা বিডিও অফিসের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।অন্যদিকে, এদিন ভোটের দিন বিডিও অফিস চত্বরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ঘিরেও রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়নি।কৃষি কর্মাধ্যক্ষের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন ঘিরে কেন এমন বিশৃঙ্খলা, কেন অধিকাংশ সদস্য অনুপস্থিত এবং সদস্যদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


