ASANSOL

নাম ভাঙিয়ে কাটমানির তোলার অভিযোগ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের “কাউকে রেয়াত নয়” কড়া বার্তা

*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* রাজ্যে পালাবদলের পরেও কাটমানি, তোলাবাজি ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম অব্যাহত রয়েছে। শনিবার এমনই সব অভিযোগ সামনে এনে ভিডিওর মাধ্যমে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এদিন ঐ ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট বলেছেন, আমার নাম বা রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা অন্য কোনো মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে কেউ টাকা তুললে বা তোলাবাজি করলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। বেশ কিছুদিন ধরে আমার কাছে এমন সব অভিযোগ আসছে। সাধারণ মানুষকে সরাসরি অভিযোগ জানানোর আহ্বানও জানান তিনি।অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, সম্প্রতি আমার কাছে বেশ কিছু একাধিক অভিযোগ এসেছে।

যেখানে আমার নাম ব্যবহার করে বাজারবসহ বিভিন্ন জায়গায় টাকা তোলা হচ্ছে। এই ধরনের এক্সটরশন, কাটমানি বা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে বলেই তিনি দাবি করেন।তিনি বলেন, যদি কেউ তাঁর নাম, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বা অন্য কোনো মন্ত্রীর নাম করে টাকা দাবি করে, তাহলে সাধারণ মানুষ যেন অবিলম্বে বিষয়টি আমাকে বা প্রশাসনকে জানান। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী আগেই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন,কাটমানি, ঘুষ, তোলাবাজি বা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, কাউকে ব্যক্তিগত আক্রোশে বা বদনাম করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ করা উচিত নয়। অভিযোগের সঙ্গে যথাযথ প্রমাণ থাকলে তবেই প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।এদিনের ভিডিও বার্তায় তিনি আরো বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে আমার ছবি রয়েছে।

সেই ছবি দেখিয়ে কেউ যদি নিজেকে আমার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে টাকা তুলতে আসে, তাহলে সাধারণ মানুষ যেন সেই ফাঁদে পা না দেন। সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবেন। আমার ফোন নম্বর অনেকের কাছেই আছে। অগ্নিমিত্রা পালের স্পষ্ট বার্তা, “আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ টাকা তুললে চুপ করে থাকবেন না। প্রমাণ সহ অভিযোগ করুন। আইন তার মতে ব্যবস্থা নেবে। স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এক ক্যাবিনেট মন্ত্রীর এমন অভিযোগে বাংলার রাজনীতিতে শোরগোল ফেলেছে।

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *