বারাবনির আইসিএমএলে ৬ দফা দাবিতে খাদান ঠিকাদার মজদুর সভার বিক্ষোভ ও গণডেপুটেশন
*বেঙ্গল মিরর, বারাবনি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* কর্মীদের বকেয়া দাবি আদায় এবং বেআইনি ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে সোচ্চার হলো সিটু অনুমোদিত “খাদান ঠিকাদার মজদুর সভা”। শুক্রবার সকালে ৬ দফা দাবিতে আসানসোলের বারাবনিতে আইসিএমএল খনি গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি ও গণডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করে এই শ্রমিক সংগঠন ।এদিন সকালে সরিষাতলি গ্রাম থেকে কর্মীদের একটি পদযাত্রা শুরু হয়। মিছিলটি আইসিএমএল গেটের সামনে পৌঁছায়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সমগ্র খনি চত্বর পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল।














শ্রমিক সংগঠনের ৬ দফা দাবি ছিলো। সেগুলি হলো (১)বারাবনি লিঙ্ক রোডে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া ৪৩ জন শ্রমিককে অবিলম্বে কাজে পুনর্বাহল করতে হবে। (২)আইসিএমএল খনিতে কর্মরত সমস্ত শ্রমিককে ‘হাই-পাওয়ার কমিটি’র নির্ধারিত সুপারিশ অনুযায়ী বকেয়া মজুরি দিতে হবে। (৩)২০২৬ সালের বার্ষিক বোনাসের হার ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।(৪)খনি শ্রমিকদের বন্ধ হয়ে যাওয়া সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার পুনরায় চালু করতে হবে।
(৫)সমস্ত চুক্তিভিত্তিক ও স্থায়ী শ্রমিককে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।(৬)সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।এদিনের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সিটু নেতৃত্ব। বক্তব্য রাখেন মনোজ দত্ত, কলিমুদ্দিন আনসারি, তপন দাস, তীর্থঙ্কর পাত্র, কার্তিক ঘোষ, রাজেশ চক্রবর্তী সহ সংগঠনের অন্যান্য মূল নেতৃবৃন্দ।সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দেন যে, শ্রমিকদের এই সঙ্গত ৬ দফা দাবি দ্রুত মেনে না নেওয়া হলে আগামী দিনে আন্দোলন আরও তীব্র হবে। বিক্ষোভ শেষে খনি কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি (গণডেপুটেশন) জমা দেওয়া হয় শ্রমিক সংগঠনের তরফে।

