রামপুরে এমভিআই চেকপোস্টে তোলাবাজির ঘটনা পুলিশের জালে আরো এক দালাল, উদ্ধার ৫ লক্ষাধিক টাকা, মোবাইল ও ডায়েরি
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্তে পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের কুলটি থানার রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে আবারও বড় সাফল্য পেল কুলটি থানার পুলিশ। এর আগে দুই এমভিআই আধিকারিক সাসপেন্ড হওয়ার পর তাঁদেরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ১৯ নং জাতীয় সড়কের ধারে ‘মামা হোটেল’-এর মালিক অভিজিৎ ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়েছিলো।এবার এই মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার রাতে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এসিপি (কুলটি) জাভেদ হুসেনের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী কুলটি থানার চৌরঙ্গী ফাঁড়ি এলাকার চলবলপুর গ্রামে অভিযান চালায়।














সেখানে বাবলু ভান্ডারি নামে এক দালালের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তল্লাশির সময় বাড়ি থেকে প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা নগদ, দুটি মোবাইল ফোন এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়েরি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযানের পরে বাবলু ভান্ডারিকে গ্রেফতার করে কুলটি থানার পুলিশ। শুক্রবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়।
তদন্তকারী আধিকারিকদের প্রাথমিক অনুমান, উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা , মোবাইল ফোন এবং ডায়রিগুলি এমভিআই চেকপোস্টে চলা দুর্নীতি, তোলাবাজি ও অবৈধ আর্থিক লেনদেনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে কাজে লাগতে পারে। বাজেয়াপ্ত নথি ও ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। রামপুর এমভিআই চেকপোস্টে দুর্নীতি ও তোলাবাজির ঘটনায় একের পর এক গ্রেফতারি ও উদ্ধার ঘিরে শিল্পাঞ্চল জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।


