৯৭ হাজার টাকার সাইবার প্রতারণার অভিযোগ তিনমাস পরেও মেলেনি সদুত্তর আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনারের কাছে আর্জি
*বেঙ্গল মিরর, বরাকর ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের কুলটি থানার বরাকরের বাসিন্দা নীলেশ কুমার ঝাঁ গত মে মাসে এক সাইবার প্রতারণার শিকার হন। তার অভিযোগ, পুরো বিষয়টি লিখিত ভাবে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার থানায় জানানোর পরেও তিনমাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। কিন্তু তার পরেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ঐ ব্যক্তির । তিনি অবিলম্বে, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার ডাঃ প্রণব কুমারকে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।কুলটি থানার বরাকরের চৌবে ক্যাম্পাসের বাসিন্দা বছর ৫৫ র বয়সী নীলেশ কুমার ঝাঁ মঙ্গলবার পুলিশ কমিশনারের কাছে এক আবেদনে জানিয়েছেন।














তাতে তিনি বলেন, আমার অজান্তেই এবং অনুমতি ছাড়াই গত ১১ মে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬:১৫ এবং ৬:৪৫ মিনিটে দুটি পৃথক লেনদেনের মাধ্যমে ইউকো ব্যাংকে বরাকর শাখার অ্যাকাউন্ট থেকে মোট ৯৭,০০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। দুদফায় ৫০,০০০ টাকা এবং ৪৭,০০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, ঘটনার পরেই আমি জাতীয় সাইবার ক্রাইম হেল্পলাইনে একটি অভিযোগ দায়ের করি। ১২ মে তার একটি প্রাপ্তিস্বীকারপত্র পাই। একই দিনে আমি দুর্গাপুর সাইবার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
তার ভিত্তিতে জিডি নম্বর ৬৬ নথিভুক্ত করা হয়। আমি ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ট্রানজ্যাকশন আইডি, স্ক্রিনশট এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি সহ অভিযোগটি জমা দিয়েছি।নীলেশ কুমার ঝাঁ এদিন বলেন, সেই অভিযোগ দায়ের করার পর প্রায় তিনমাসের বেশি সময় কেটে গেছে। কিন্তু কোনো এফআইআর দায়ের করা হয়নি। পুলিশের তদন্তেও কোন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তার দাবি, এই দেরীর কারণে অভিযুক্তরা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা তুলে নিতে পারে এবং ডিজিটাল প্রমাণ নষ্ট করে ফেলতে পারে।
তিনি আরো বলেন, এই সাইবার প্রতারণার কারণে আমি আর্থিক ক্ষতি এবং মানসিক চাপের মধ্যে আছি। তিনি পুলিশ কমিশনারকে এই বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে এফআইআর নথিভুক্তকরণ নিশ্চিত করার আর্জি জানান। এর পাশাপাশি, অভিযোগের তদন্ত দ্রুত করতে এবং প্রতারণায় ব্যবহৃত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ইউপিআই আইডিগুলো সিজ করার জন্য অনুরোধ করেছেন।তবে, নীলেশ কুমার ঝাঁয়ের অভিযোগ ও গোটা বিষয়ে তদন্তে কি পাওয়া গেছে, সেই ব্যাপারে সাইবার থানার কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।


