ASANSOL

সামাজিক সেবামূলক কাজের মধ্য দিয়ে আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলে শচিন্দ্রনাথ রায়ের জন্মদিন উদযাপন

*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান শচিন্দ্রনাথ রায়ের জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে সোমবার আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই উপলক্ষে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির, রক্তদান শিবির, দাতব্য অনুদান এবং বৃক্ষরোপণ অভিযান সহ একাধিক সামাজিক সেবামূলক কাজের আয়োজন করা হয়েছিলো। এদিনের অনুষ্ঠানটির পুরোভাগে ছিলেন আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলের ডিরেক্টর মিতা রায় এবং প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সচিব স্বামী সোমত্মানন্দ জি মহারাজ।

মুল অনুষ্ঠানের সূচনা প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে হয়এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অফ আসানসোল গ্রেটারের বিশ্বরঞ্জন দাসগুপ্ত, চন্দন মুখোপাধ্যায়, তপতী দাসগুপ্ত ও দীপালি দত্ত। আসানসোল আর্টিস্ট ফোরামের প্রতিনিধি মন্দিরা প্রতিহার, সুনীল প্রতিহার, মলয় সরকার ও এষা মিত্র এবং আসানসোল প্রগতি-র শুভব্রত ভট্টাচার্য ওরফে পিন্টু এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জন্মদিন পালনে এদিন দুর্গাপুরের আইকিউ সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগিতায় আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুল এবং পার্বতী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট একটি বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করে। ডাঃ মনোহর কৃষ্ণ, ডাঃ তিশা শর্মিলা এবং ডাঃ তিয়াশা দাসকে নিয়ে গঠিত মেডিকেল টিম চিকিৎসা পরামর্শ এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রদান করে। এই শিবির থেকে মোট ৬৮ জন রোগী উপকৃত হন। এর পাশাপাশি এদিন একটি রক্তদান শিবিরেরও আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে ৩৩ জন দাতা এগিয়ে এসে রক্তদান করেন এবং জীবন বাঁচানো ও প্রয়োজনে রোগীদের সহায়তা করার এই মহৎ কাজে অবদান রাখেন।

সমাজকল্যাণের প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রদর্শন করে শচিন্দ্রনাথ রায় এবং মিতা রায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সহায়তার জন্য আসানসোলের রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে ১ লক্ষ টাকা এবং আসানসোল প্রগতিতে ৬০,০০০ টাকা দান করেন। এই অনুদান সমাজসেবা এবং পিছিয়ে থাকা মানুষদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের নিষ্ঠার প্রতিফলন।

একইসাথে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়েছিল।যা পরিবেশ সুরক্ষা এবং একটি সবুজ ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিষ্ঠানগুলির অঙ্গীকারের প্রতীক। অতিথি, শিক্ষক, কর্মচারী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে শচিন্দ্রনাথ রায়ের কেক কাটার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *