আসানসোলে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের হানা, একাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অনিয়মের অভিযোগ
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* খাদ্যের গুণমান ও স্বাস্থ্যবিধি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার আসানসোলের বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে হানা দিল খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। এদিন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে শহরের ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় দশটি হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে অভিযান চালান।এদিনের এই অভিযানে গিয়ে আধিকারিকদের নজরে আসে একাধিক অনিয়ম। কোথাও ফুড লাইসেন্স নেই। কোথাও জলের লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। আবার কোনও দোকানে দীর্ঘদিনের মিষ্টি এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ দইয়ের প্যাকেট ফ্রিজে রাখা ছিল বলে দাবি আধিকারিকদের।এছাড়াও কয়েকটি হোটেলে অপরিষ্কার পরিবেশে কাঁচা মাংস রাখা এবং নর্দমার পাশে মাংস সংরক্ষণের অভিযোগ উঠে। বিরিয়ানি ও বিভিন্ন মাংসের পদ তৈরিতে ব্যবহৃত মশলাও পরীক্ষা করা হয়। অভিযানে কিছু মশলার গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে বলে জানা যায়।














সংশ্লিষ্ট হোটেল ও দোকান মালিকদের সেই সমস্ত খাদ্যসামগ্রী অবিলম্বে নষ্ট করে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়।এই অভিযান চলাকালীন দেখা যায় কোথাও পর্যাপ্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নেই। কোথাও ডাস্টবিনেরও ব্যবস্থা নেই বলে দেখতে পান আধিকারিকরা। নামী-দামি প্রতিষ্ঠান বলে পরিচিত কিছু দোকানের ভেতরের পরিস্থিতি দেখে আধিকারিকরাও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।এই নিয়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা জানান, অভিযানে যে সমস্ত অনিয়ম ধরা পড়েছে, সেগুলির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই মৌখিকভাবে সতর্ক করার পাশাপাশি লিখিত নোটিশ দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।একসঙ্গে শহরের একাধিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মিষ্টির দোকানে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের এই আকস্মিক অভিযানে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আগামী দিনে আরও এমন অভিযান হবে বলে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে ।


