তোলাবাজি ও বন্দুক দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, বার্নপুর গ্রেফতার এক, ৫ দিনের পুলিশ হেফাজত
বেঙ্গল মিরর, হিরাপুর ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ২ লক্ষ তোলাবাজি এবং বন্দুক দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের হিরাপুর থানার পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম মিন্টু ওরফে প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার রাতে নিউ টাউন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। শনিবার ধৃতকে আসানসোল সিজিএম আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তার জামিন নাকচ করে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ধৃতর বাড়ি হিরাপুর থানার নাকড়াসোঁতায়। ধৃতর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে হিরাপুর থানার পুলিশ বিএনএসের ৩০৮(৫), ৩১৬(২), ৩১৮(৪), ৩৫১(৩) ও ৬১(২) এবং অস্ত্র আইনের ২৫/২৭ নং ধারায় ( কেস নং ২৭১, তারিখ ৪/৯/২৬) একটি মামলা করেছে। ঘটনার সূত্রপাত নরসিংবাঁধের বাসিন্দা প্রদীপ প্রসাদের অভিযোগের ভিত্তিতে।









হিরাপুর থানায় দায়ের করা এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত মিন্টু ওরফে প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী। অভিযোগকারী প্রদীপ প্রসাদ বালি ও পাথরের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অভিযুক্ত মিন্টুও এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অভিযোগ, প্রদীপ প্রসাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল যাতে তিনি শুধুমাত্র মিন্টুর কাছ থেকেই বালি ও পাথর কেনেন।অভিযোগপত্রের বয়ায় অনুযায়ী, গত ৩ সেপ্টেম্বর প্রদীপ প্রসাদের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে বন্দুক দেখিয়ে তাকে ভয় দেখানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগকারী আরও দাবি করেছেন, ব্যবসার ক্ষেত্রে তার উপর নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি আইএসপি গেট এলাকায় তোলাবাজি সিন্ডিকেটের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এই অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে হিরাপুর থানার পুলিশ।




শুক্রবার রাতে নিউটাউন এলাকা থেকে অভিযুক্ত মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতে নিয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ২ লক্ষ তোলাবাজির অভিযোগ, বন্দুক দেখিয়ে হুমকি, বালি-পাথরের ব্যবসায় চাপ সৃষ্টি এবং আইএসপি গেট এলাকার তোলাবাজি সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগ এই সমস্ত বিষয় গুলো তদন্ত করে দেখা হবে।এই মামলার তদন্তকারী অফিসার আরো জানার চেষ্টা করবেন , এই ঘটনায় ধৃতর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে আছে কি না। এর পাশাপাশি ঐ এলাকায় কোন সংগঠিত তোলাবাজি চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না তাও ধৃতর কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হবে।


