ASANSOL

আসানসোলে মেধাবী কন্যাদের পাশে ইন্ডিয়া পাওয়ার, অষ্টম বর্ষে ‘মেধা’ স্কলারশিপ

*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে ইন্ডিয়া পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড (আইপিসিএল)-র ‘মেধা’ স্কলারশিপ কর্মসূচির অষ্টম সংস্করণের শংসাপত্র প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। শাঁকতোরিয়ায় সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।২০১৯ সালে শুরু হওয়া এই সিএসআর উদ্যোগের মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত আসানসোল-রানিগঞ্জ অঞ্চলের ৪০ জন মেধাবী ছাত্রীকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর সরকারি বা সরকার-পোষিত স্কুলের দশম শ্রেণির পাঁচজন মেধাবী ছাত্রীকে ‘মেধা’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তাঁদের দু’বছরের পড়াশোনার জন্য সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তা পাঠানো হয়।

এ বছরের নির্বাচিত পাঁচ ছাত্রী হলেন আসানসোল অরুণোদয় হাইস্কুলের নিকিতা কুমারী, বেনালি শ্রী সি.কে.সি.টি. হাইস্কুলের নাজরিন খাতুন, শাঁকতোড়িয়া ডিসেরগড় হাইস্কুলের শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, বার্নপুর এসপিভিএন গার্লস হাই স্কুলের অনুষ্কা চক্রবর্তী এবং রানিগঞ্জের গান্ধী মেমোরিয়াল গার্লস হাই স্কুলের সাগরিকা শিট।অনুষ্ঠানে ছাত্রীদের হাতে স্কলারশিপের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন তাঁদের পরিবারের সদস্য, সহপাঠী, শিক্ষক ও স্কুলের প্রধানরা।

পাশাপাশি ‘মেধা’দের পথচলা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রদর্শিত হয়।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রেজোলিউশন প্রফেশনাল এমএস মনো রঞ্জনী ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন, জীবনে সাফল্যের জন্য শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কিছু শেখার সুযোগ কখনও হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, কোনও দিন হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে, কিন্তু কখনও থামা যাবে না।

ইন্ডিয়া পাওয়ারের সিইও সোমেশ দাশগুপ্ত বলেন, এই ছাত্রীরা শুধু স্কলারশিপ প্রাপক নন, তাঁরা নারী ক্ষমতায়নের দূত হয়ে উঠছেন। সঠিক সুযোগ, উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস পেলে একটি মেয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে এবং নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *