অন্ডালে আবারও ধস এলাকায় আতঙ্ক, অভিযোগের আঙুল ইসিএলের বিরুদ্ধে
*বেঙ্গল মিরর, অন্ডাল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* মাস পেরোতে না পেরোতেই আবারও ধসের আতঙ্ক ছড়ালো পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্ডালের খান্দরার নীলকন্ঠ মন্দির এলাকায়। কিছুদিন আগেই এই এলাকায় জনবসতি এলাকার খুব কাছেই ধসের ঘটনা ঘটেছিলো। তারফলে আতঙ্কে সেই মুহূর্তে ঘর ছাড়েন এলাকাবাসীরা। সেই সময় ঘটনার খবর পেয়ে রানিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পার্থ ঘোষ এলাকায় আসেন। তিনি স্থানীয়দের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। ঐ ঘটনার পরে ইসিএলের আধিকারিকরা ধস কবলিত এলাকা বিপদজনক বলে চিহ্নিত করে ফ্রেন্সিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু সেই ঘটনার পরে এলাকার বাসিন্দাদের ব্যবস্থা আজও হয়নি।













এবার শুক্রবার রাতে নীলকন্ঠ মন্দিরের একটু দূরে আবারও ফাঁকা জায়গায় ধসের ঘটনা ঘটে। বিরাট আকারে হওয়া এই ধসের জেরে গর্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ধসের কারণ হিসাবে বিশ্বেশ্বরী কোরিয়ারির ম্যানেজার বিশ্বজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগের আঙ্গুল। খান্দরা গ্রামের বাসিন্দা আকাশ রুইদাস অভিযোগ করেন, এই গ্রাম ও নীলকন্ঠ মন্দির আশেপাশের এলাকাশলয় এই ধসের কারণ তৎকালীন ম্যানেজার বিশ্বজিৎ রায়।
তিনি পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ট হিসাবে এলাকায় লুটপাট চালিয়েছেন বলে অভিযোগ খনির নিচে সঠিকভাবে বালি ভরাট ও প্যাকিং হয়নি। সে কারণেই বারবার ধসের সৃষ্টি হচ্ছে এলাকায়। কিছুদিন আগে নীলকন্ঠ মন্দির এলাকায় ধসের জন্য ইসিএলের আধিকারিকরা ১৯৮২ সালের পুরনো খনির কারণ বলেছিলেন ।
কিন্তু সবটাই ছিল ধোঁকা। বর্তমানে খনের নিচে কয়লা উত্তোলনের পর সঠিকভাবে বালি প্যাকিং হচ্ছে না সেখানেও ঠিকাদার এবং খনি কর্তৃপক্ষদের যোগসাজস রয়েছে আর যে কারণেই সাধারণ মানুষ ধসের কবলে পড়ছেন। এক কথায় বারবার এই এলাকায় ধসের কারণে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এখন প্রশ্ন একটাই কবে এলাকার মানুষ সুরক্ষিতভাবে বসবাস করতে পারবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা শুক্রবারের রাতের খবর পেয়ে শনিবার সকালে কয়েকজন ইসিএলের আধিকারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান কিন্তু তারা ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি।

