নিয়ামতপুর বাজারে পুলিশ নিয়ে ফুড সেফটি দপ্তরের অভিযান, ফেলা হল মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও রং মেশানো খাবার
বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং খাবারের গুণমান বজায় রাখতে আসানসোলের কুলটি থানার নিয়ামতপুর বাজারে যৌথ অভিযান চালাল ফুড সেফটি দপ্তর , আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ এবং নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ। শনিবার বাজার এলাকার একাধিক মিষ্টির দোকান, বিরিয়ানির দোকান, ফুচকার দোকান সহ বিভিন্ন খাবারের দোকানে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে দোকানগুলির খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত নথিপত্র পরীক্ষা করার পাশাপাশি খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত মশলা, রং এবং অন্যান্য উপকরণের গুণমানও খতিয়ে দেখা হয়।এদিনের এই অভিযানের সময় বিভিন্ন দোকানে থাকা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য ফেলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, রং দেওয়া ফুচকার দোকানের ঘুগনি এবং বিরিয়ানির দোকানে থাকা বিরিয়ানিও ফেলে দেওয়া হয়।



খাবারে ব্যবহৃত উপকরণের গুণমান এবং খাদ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করতেই আধিকারিকরা বিভিন্ন দোকানে তল্লাশি ও পরীক্ষা চালান।এদিনের অভিযানে আধিকারিকরা দোকানগুলির ফুড সেফটি লাইসেন্স সহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়। দোকানে বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও নজর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত মশলা ও রংয়ের দিকেও বিশেষ নজর দেন অভিযানে অংশ নেওয়া আধিকারিকরা। কারণ, খাদ্যদ্রব্যে অনুপযুক্ত রং কিংবা মেয়াদ উত্তীর্ণ উপকরণ ব্যবহার করা হলে তা সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।বিশেষ করে মিষ্টি, বিরিয়ানি, ঘুগনি ও ফুচকার মতো জনপ্রিয় খাবার প্রতিদিন বহু মানুষ খেয়ে থাকেন।








বাজারের দোকানগুলিতে এই ধরনের খাবারের চাহিদাও যথেষ্ট। ফলে খাবার তৈরির উপকরণের গুণমান এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিকটি মাথায় রেখেই এদিন বিভিন্ন দোকানে পরিদর্শন চালানো হয় বলে জানা গেছে।এই অভিযানে মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও খাদ্যদ্রব্য ফেলে দেওয়া এবং রং দেওয়া ঘুগনি ও বিরিয়ানি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় বাজারের খাবারের গুণমান নিয়ে নতুন করে নজরদারির বিষয়টি সামনে এসেছে। খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং ক্রেতাদের কাছে নিরাপদ খাবার পৌঁছে দেওয়া যে অত্যন্ত জরুরি, এই অভিযান তারই বার্তা বহন করছে।ফুড সেফটি দপ্তর , এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ও নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশের এই যৌথ অভিযানের ফলে বাজার এলাকার খাবারের দোকানগুলিতে খাদ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এদিনের অভিযানে কতগুলি দোকান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং কোন দোকানের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আধিকারিকরা জানাননি।



