Friday, September 4, 2026
Latest:

Bengal Mirror

Think Positive

Bengal Mirror
Friday, September 4, 2026
Latest:
Bengal Mirror
ASANSOL

আসানসোল পুরনিগমের ভূমিকায় প্রশ্ন, উচ্ছেদের পরেও দেওয়া হয় নি পুনর্বাসন, দোকানদারদের নিয়ে মেয়রের দ্বারস্থ আইএনটিটিইউসি নেতা

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ শহর সাজাতে আসানসোল শহরের জিটি রোডের চেলিডাঙ্গা সংলগ্ন সেন্ট জোসেফ স্কুলের বিপরীতে সরকারি জায়গা থেকে দোকানদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছিলো। ৮/৯ মাস আগে এই কাজ করেছিলো আসানসোল পুরনিগম। সরকারি সেই জায়গা পরিষ্কার করে লোহার সুদৃশ্য গ্রিল দিয়ে ঘিরে পার্ক তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু উচ্ছেদ করা দোকানদারদেরকে পুনর্বাসন হিসাবে বিকল্প কোন জায়গা দেওয়া হয় নি অভিযোগ তুলে সরব হলেন তৃনমুল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি নেতা রাজু আলুওয়ালিয়া। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা রাজ্য সরকারের মনোভাব ব্যক্ত করে আসানসোল পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হলেন এই আইএনটিটিইউসি নেতা।


সোমবার সকালে উচ্ছেদ করা বেশ কিছু দোকানদারকে সঙ্গে নিয়ে আসানসোল পুরনিগমে গিয়ে মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন রাজু আলুওয়ালিয়া। তিনি মেয়রের কাছে অভিযোগ করে বলেন, পুনর্বাসন বা বিকল্প জায়গা দেওয়ার কথা বলা হলেও, এতো মাস পরেও অধিকাংশ দোকানদার তা পাননি। তাদের নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছিলো। তারপরেও তারা পাননি। মেয়র আইএনটিটিইউসি নেতাকে বলেন, এই অভিযোগ ঠিক নয়। তাদেরকে যেখানে দোকান নিতে বলা হয়েছিলো, তারা সেখানে নেননি। এরপর পুরনিগমের কি আর করার আছে? মেয়র পরিষ্কার করে তাদেরকে বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে ব্যবসা করা চলবে না। সরকারি আইন মেনে যা করার তা করা হয়েছে। তবে আইএনটিটিইউসি নেতা দরবার করায় তিনি গোটা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে এদিন আশ্বাস দিয়েছেন।


পরে সংবাদ মাধ্যমকে আইএনটিটিইউসি নেতা রাজু আলুওয়ালিয়া বলেন, রাজ্য সরকার বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন কোন মনোভাব নেই, যাতে দোকানদারদের উচ্ছেদ করা হবে, অথচ পুনর্বাসন বা বিকল্প জায়গা দেওয়া হবেনা। কিন্তু আসানসোল পুরনিগম তা করেনি। ৮/৯ হলো সেন্ট জোসেফ স্কুলের বিপরীতে সরকারি জায়গা থেকে দোকানদারদেরকে তুলে দেওয়া হয়েছে। অথচ তাদের মধ্যে ৮০ শতাংশ দোকানদার এখনো বিকল্প জায়গা পাননি। ফলে তারা এখন রাস্তায় বাটি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, বলা হচ্ছে, এরা বিকল্প জায়গা নেননি। এটা ঠিক নয়। এদের নামের তালিকা তৈরি করা হলেও, তাদেরকে রবীন্দ্র ভবনের সামনে দোকান দেওয়া হয়নি বা তারা পাননি । আমি মেয়রকে গোটা বিষয়টি আরো একবার দেখার জন্য বলেছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *