ASANSOLASANSOL-BURNPUR

জলের তোড়ে ভেসে গেল দামোদরের ৩টি অস্থায়ী সেতু বিচ্ছিন্ন বার্নপুরের সঙ্গে পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার যোগাযোগ

*বেঙ্গল মিরর, বার্নপুর ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* দামোদর নদীতে জলের তোড়ে বুধবার ভেসে গেছিল দুটি অস্থায়ী বাঁশের ব্রিজ বা সেতু। বৃহস্পতিবার ভোরবেলা ভেসে গেল অবশিষ্ট শেষ সেতুটিও।ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টির জেরে জলস্তর বাড়ছে দামোদর নদীতে। আর সেই জলে ফুলেফেঁপে উঠেছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বার্নপুরের রিভারসাইড সংলগ্ন দামোদর নদী। সেই জলের প্রবল স্রোতে ভেসে গেল পশ্চিম বর্ধমানের পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলার অন্যতম সংযোগকারী তিনটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু।বুধবারই ভেসে গিয়েছিল আসানসোল ও বাঁকুড়ার শালতোড়া ব্লক সংযোগকারী কেশরকুড়ি ও ঈশ্বরদা ঘাটের দুটি সেতু।

আর বৃহস্পতিবার শেষ সম্বল কুঁকড়াকুড়ি ঘাটের সেতুটিও চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। উত্তাল স্রোতের ধাক্কায় তাসের ঘরের মতো মচকে ভেঙে পড়ে দীর্ঘ বাঁশের ব্রিজ বা সেতুটি। নৌকা নিয়ে বাঁধন দিয়ে সেই সেতু ধরে রাখার মরিয়া চেষ্টা করেন এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু তাদের সেই চেষ্টা করে নদীগর্ভে তলিয়ে যায় ব্রিজের কাঠের পাটাতন।তিনটি সেতু ভেসে যাওয়ার ফলে পশ্চিম বর্ধমান জেলার বার্নপুরের সঙ্গে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার শর্টকাটে যাওয়া পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো।

এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রতিদিন ঐ তিনটি সেতু দিয়ে যাওয়া হাজার হাজার নিত্যযাত্রী, শ্রমিক ও পড়ুয়ারা। ঘুরপথে যাওয়া অনেকটা সময়ের ব্যাপার। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকাই এখন একমাত্র ভরসা তাদের।

দামোদরের অস্থায়ী সেতু ভেসে যাওয়া ও স্থায়ী সেতুর দাবি প্রসঙ্গে আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এদিন বার্নপুরে বলেন , আমি আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়েছি। ‘রাইটস’ ইতিমধ্যেই ফিজিবিলিটি সার্ভে বা সমীক্ষা শেষ করেছে। এবার ডিপিআর তৈরি করে শুধু ওয়ার্ক অর্ডার বাকি রয়েছে। স্থায়ী সেতু বা ব্রিজ তৈরির কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে এদিন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন।

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *