আসানসোলে ” গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান, মিছিল, স্মারকলিপি
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’-এর অংশ হিসেবে সোমবার আসানসোলে গৌ-রক্ষার দাবিতে একটি বিশাল মিছিল করা হয়। এদিন দেশজুড়ে ৭৯০টি জেলায় একযোগে শুরু হওয়া এই অভিযানের অংশ হিসেবে, হাজার হাজার গৌ ভক্ত আসানসোলের রাস্তায় নেমে আসেন। মিছিল শেষে আসানসোলে পশ্চিম বর্ধমান জেলাশাসক কার্যালয়ে ২১ দফা দাবির একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।এদিন আসানসোলের কল্যানপুরের ইকো পার্ক থেকে শান্তিপূর্ণ মিছিল শুরু হয়। শঙ্খধ্বনির সাথে ‘শ্রী রাম জয় রাম জয় জয় রাম’ ধ্বনি উচ্চারিত হয়। এরপর, হাজার হাজার মানুষ ‘গো-হত্যা বন্ধ করুন’ এবং ‘সনাতন ধর্মের জয় হোক’ স্লোগান দিতে দিতে সুশৃঙ্খলভাবে মিছিল করে জেলাশাসক কার্যালয়ে পৌঁছান।














আসানসোল ছাড়াও দুর্গাপুর, রানিগঞ্জ, জামুরিয়া, সালানপুর, পান্ডবেশ্বর, কুলটি, বরাকর এবং দোমহানি সহ সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে গো-ভক্তরা এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। মিছিল শেষে জেলাশাসক কার্যালয়ে ২১ দফা দাবির একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।জেলাশাসকের অনুপস্থিতিতে ২১টি দাবি সম্বলিত এই স্মারকলিপি অতিরিক্ত জেলাশাসক বা এডিএম (জি)র কাছে জমা দেওয়া হয়।প্রধান দাবিগুলো হলো: ১. সারা ভারতে গো-হত্যার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা।২. গরুকে ‘জাতিমাতা’-র মর্যাদা দেওয়া। ৩.গোশালাগুলোকে সরকারি সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান করা।এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে, সারা দেশ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ স্বাক্ষর সংগ্রহ করে এডিএমের কাছে জমা দেওয়া হয়। স্মারকলিপিটি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর জন্যও অনুরোধ করা হয়।কড়া নিরাপত্তার মধ্যে এই মিছিল শেষ হয়।ইকো পার্ক থেকে ডিএম বা জেলাশাসক কার্যালয় পর্যন্ত পুরো রাস্তা জুড়ে প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছিল। অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ডিএম অফিসের ভিতরে শুধুমাত্র সীমিত সংখ্যায় লোককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
এদিনের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আন্দোলনের ইন-চার্জ পুনীত সান্তোরিয়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলা ইন-চার্জ বিকাশ সাতনালিকা, উৎপল রায় চৌধুরী, রিতেশ খৈতান, রাকেশ মোদি, গোপাল খিরিয়া, ললিত খৈতান, গোপাল শারাওগি, বিপুল দুবে, আমান গিরি, সুদীপ গরাই, বৈদ্যনাথ পাল সহ অন্যান্যরা।
7


