রাধাষ্টমীতে বারাবনিতে ১০০৮ কলশযাত্রা জগন্নাথদেবের মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
*বেঙ্গল মিরর, বারাবনি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* রাধাষ্টমীর পুণ্যতিথিকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় আবেগ, ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার এক অপূর্ব আবহে সেজে উঠলো আসানসোলের বারাবনি ব্লকের দাসকিয়ারি। শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের একটি মন্দির নির্মাণের শুভসূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য ১০০৮ কলশযাত্রা। মন্দির নির্মাণের এই পবিত্র কর্মযজ্ঞকে কেন্দ্র করেই কয়েক হাজার ভক্তের সমাগমে পরিণত হয় গোটা অনুষ্ঠান এক মহা ধর্মীয় সমারোহে।বাঁশপাহাড়ি অজয় নদীর ঘাট থেকে জল ভর্তি কলশ মাথায় নিয়ে শুরু হয় কলশযাত্রা।













ধর্মীয় জয়ধ্বনি, সংকীর্তন ও ভক্তির আবেশে শোভাযাত্রা দাসকিয়ারি গ্রামের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে পৌঁছায় জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে। যাত্রাপথের দু’ধারে অসংখ্য মানুষ ভক্তিভরে দাঁড়িয়ে এই পুণ্যযাত্রাকে স্বাগত জানান। দু’হাত তুলে প্রার্থনা ও ভক্তির প্রকাশে পথের দু’ধার যেন মুহূর্তে পরিণত হয় এক আধ্যাত্মিক মিলনক্ষেত্রে।১০০৮ কলশকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হলেও ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শেষ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিপুল সংখ্যায় ভক্তের উপস্থিতিতে কলশযাত্রা রূপ নেয় এক বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রায়। ভক্তির স্রোত, সংকীর্তনের ধ্বনি এবং মানুষের উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে ওঠে দাসকিয়ারির পথঘাট।কলশযাত্রা শেষে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়। এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই ছিল সমগ্র অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ও কেন্দ্রবিন্দু।
ভক্তদের বিশ্বাস, আগামী দিনে এই মন্দির দাসকিয়ারি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠবে।গোটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্দিরের কর্ণধার নিমাই প্রভু, বিজেপি নেতা অভিজিৎ রায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিপুল সংখ্যাক ভক্তবৃন্দ।
সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে রাধাষ্টমীর এই পুণ্যতিথিতে জগন্নাথদেবের মন্দির নির্মাণের পথচলা শুরু হল এক স্মরণীয় ধর্মীয় সমারোহের মধ্য দিয়ে।এই প্রসঙ্গে অভিজিৎ রায় বলেন, গোটা এলাকার বাসিন্দাদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন রাধাষ্টমীর দিনে তার সূচনা হলো।

