আসানসোলে পথচারী ও পুলকারে বেপরোয়া মিনিবাসের ধাক্কা, মৃত ১, জখম ৫ পড়ুয়া.
বেঙ্গল মিরর আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের জিটি রোডে বেপরোয়া মিনিবাসের পরপর পথচারী ও পুলকারে ধাক্কা। শুক্রবার সকালে আসানসোল দক্ষিণ থানার জিটি রোডে মূর্গাশোলে হওয়া এই পথ দুর্ঘটনায় পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। পুলকারে থাকা ৫ পড়ুয়া জখম হয়। তার মধ্যে তিনজনকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকি দুজনকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃত পথচারীর নাম জয়দেব মন্ডল (৬১)। পুরুলিয়ার কাশিপুর থানা এলাকার বাসিন্দা জয়দেব মন্ডল আসানসোলের মূর্গাশোলে একটি হোটেলের কর্মী ছিলেন। এদিন দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পরে জয়দেব মন্ডলের দেহ পুলিশ তার স্ত্রীর হাতে তুলে দেয়। ধাক্কা মারার পরে মিনিবাস চালক পালিয়ে যায়। পরে আসানসোল দক্ষিণ ট্রাফিক গার্ড পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে ও বাসটিকে আটক করে নিয়ে যায়।














পুলিশ ও স্থানীয় জানা গেছে, পুলকারটি আসানসোলের জিটি রোডের উষাগ্রামের ক্যালকাটা বয়েজ হাইস্কুলের। এদিন সকালে পুলকারটি অন্যদিনের জিটি রোডের মূর্গাশোলে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে পড়ুয়া তুলছিলো। সেই সময় আসানসোল – রানিগঞ্জ রুটের একটি মিনিবাস আসানসোলের সিটি বাসস্ট্যান্ড থেকে রানিগঞ্জ যাওয়ার পথের বেপরোয়া ভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হোটেল কর্মী জয়দেব মন্ডলকে ধাক্কা মারে। পরে গিয়ে পড়ুয়া ভর্তি পুলকারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। পরপর মিনিবাসের ধাক্কা দেখে এলাকার বাসিন্দারা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে আসানসোল দক্ষিণ থানা ও ট্রাফিক গার্ড পুলিশ। আহত পথচারী ও পুলকারের জখম ৫ জনকে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সেখানে চিকিৎসক পথচারীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত ৫ পড়ুয়ার মধ্যে তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে আসানসোল জেলা হাসপাতালে আসেন মৃত পথচারীর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা। আসেন পড়ুয়াদের বাবা-মায়েরাও। আহত পড়ুয়াদের বয়স ৯ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। এলাকার বাসিন্দা প্রতক্ষ্যদর্শী জিতেন্দ্র সিং বলেন, পুলকারটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো। আর জয়দেব মন্ডল রাস্তা পার করছিলেন। সেই সময় মিনিবাসটি প্রথমে জয়দেব মন্ডল ও পরে পুলকারটিকে ধাক্কা মারে। পুলিশ জানায়, বাসটিকে আটক করা হয়েছে। চালকের খোঁজ চলছে।


